০২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি প্রতারণা: দুই কর্মী বরখাস্ত

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (CPA) বন্দরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুইজন কর্মীকে বরখাস্ত করেছে। অভিযুক্তরা হলেন—রবিউল হাসান, নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর, এবং শিমুল নাথ, ইসিএম চালক।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রবিউল হাসান ও শিমুল নাথ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন। তবে তারা কাউকেই চাকরি দিতে পারেননি, যা স্পষ্টত প্রতারণার শামিল। এই কর্মকাণ্ড বন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়, চট্টগ্রাম বন্দর চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯১-এর ৩৯ (খ), (ঙ), (চ) ধারার অধীনে গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে প্রথমে শিমুল নাথকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, প্রবিধানমালার ৪০ (খ), (ই) ধারার অধীনে তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। রবিউল হাসানের ক্ষেত্রেও একই বিধানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনা ভবিষ্যতে প্রতিরোধে তারা আরও কঠোর নজরদারি করবে এবং চাকরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কর্তৃপক্ষ সকল চাকরি প্রার্থীদের প্রতারণামূলক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং জানিয়েছে যে, চাকরি সংক্রান্ত কোনো লেনদেন সম্পূর্ণরূপে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।

ডিএস../

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

চট্টগ্রাম বন্দরে চাকরি প্রতারণা: দুই কর্মী বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০৯:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (CPA) বন্দরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুইজন কর্মীকে বরখাস্ত করেছে। অভিযুক্তরা হলেন—রবিউল হাসান, নিম্নমান সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর, এবং শিমুল নাথ, ইসিএম চালক।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রবিউল হাসান ও শিমুল নাথ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন। তবে তারা কাউকেই চাকরি দিতে পারেননি, যা স্পষ্টত প্রতারণার শামিল। এই কর্মকাণ্ড বন্দরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ঘটনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায়, চট্টগ্রাম বন্দর চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯১-এর ৩৯ (খ), (ঙ), (চ) ধারার অধীনে গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে প্রথমে শিমুল নাথকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, প্রবিধানমালার ৪০ (খ), (ই) ধারার অধীনে তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। রবিউল হাসানের ক্ষেত্রেও একই বিধানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনা ভবিষ্যতে প্রতিরোধে তারা আরও কঠোর নজরদারি করবে এবং চাকরির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কর্তৃপক্ষ সকল চাকরি প্রার্থীদের প্রতারণামূলক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং জানিয়েছে যে, চাকরি সংক্রান্ত কোনো লেনদেন সম্পূর্ণরূপে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে।

ডিএস../