১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

দৌলতপুরে অবৈধ ইটভাটা মালিকদের অবৈধ মানববন্ধন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সরকারি অনুমোদনহীন ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি। তবে তাদের এই কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার সচেতন ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুমোদনহীন ইটভাটার মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময় তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, জরিমানা ও ইটভাটা ভাঙচুর বন্ধের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলাটিতে বর্তমানে ৩৭টি ইটভাটা রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ১টি সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত। বাকি ৩৬টি ভাটা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব ইটভাটায় প্রতি বছর ১ লাখ টনেরও বেশি কাঠ পোড়ানো হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদনহীন এসব ইটভাটায় ইট তৈরির জন্য ফসলি জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করা হয়। ফলে কৃষি খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং খাদ্য উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, এসব ইটভাটার ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে শ্রমিকদের পাশাপাশি আশপাশের সাধারণ মানুষও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।

উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, আমাদের ভাটা বন্ধ থাকলে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবো, ব্যাংকের ঋন পরিশোধ করতে পারবো না। এদিকে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে যাচ্ছে, তারা কোন কাজ পাচ্ছে না। সেজন্য আমরা মানববন্ধন করে ইউএনও বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, ইটভাটা মালিক সমিতির লোকজন আজ একটা মানববন্ধন করে আমার কাছে স্মারকলি দিয়েছে আমি সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। উপর থেকে যে নির্দেশ আসবে আমি সেভাবে কাজ করব।

ডিএস../

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দৌলতপুরে অবৈধ ইটভাটা মালিকদের অবৈধ মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৩:৩২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সরকারি অনুমোদনহীন ইটভাটার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি। তবে তাদের এই কর্মকান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার সচেতন ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুমোদনহীন ইটভাটার মালিক ও শ্রমিকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এ সময় তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, জরিমানা ও ইটভাটা ভাঙচুর বন্ধের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলাটিতে বর্তমানে ৩৭টি ইটভাটা রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ১টি সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত। বাকি ৩৬টি ভাটা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব ইটভাটায় প্রতি বছর ১ লাখ টনেরও বেশি কাঠ পোড়ানো হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, অনুমোদনহীন এসব ইটভাটায় ইট তৈরির জন্য ফসলি জমির উর্বর মাটি ব্যবহার করা হয়। ফলে কৃষি খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং খাদ্য উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, এসব ইটভাটার ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে শ্রমিকদের পাশাপাশি আশপাশের সাধারণ মানুষও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।

উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ফজলুর রহমান বলেন, আমাদের ভাটা বন্ধ থাকলে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবো, ব্যাংকের ঋন পরিশোধ করতে পারবো না। এদিকে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে যাচ্ছে, তারা কোন কাজ পাচ্ছে না। সেজন্য আমরা মানববন্ধন করে ইউএনও বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, ইটভাটা মালিক সমিতির লোকজন আজ একটা মানববন্ধন করে আমার কাছে স্মারকলি দিয়েছে আমি সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। উপর থেকে যে নির্দেশ আসবে আমি সেভাবে কাজ করব।

ডিএস../