কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরিক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি ২০২৫ সালে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও একজনও পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল আলম।
জানা যায়, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ধর্মদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় টি ২০০২ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে (সেকেন্ডারি) এমপিওভুক্ত হয়। তবে প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী থাকলেও এবার একজনও নেয়। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রশাসন যৌথভাবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ না আসায় স্থানীয় এক অভিভাবক সাংবাদিকদের জানালে এ নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় খবর প্রকাশ হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও প্রশাসন নড়ে চড়ে বসেন। পরে তারা খোঁজ নিয়ে দেখে, ধর্মদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ফরম পূরণ করা ১৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই অংশ নেয়নি।

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, “এটা শুধু একটি স্কুল নয়, পুরো উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার ওপর আঘাত। উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিস এই ঘটনায় যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল আলম জানান, “বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং নিয়মিত পাঠদান না হওয়াই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” একই সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষকে কেন ১৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পরীক্ষায় অংশ নেয়নি তা লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।























