আমদানির আড়ালে যাতে কেউ বিদেশে অর্থপাচার করতে না পারে, সেজন্য দেশের ব্যাংকগুলোয় নজরদারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে এই তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
তিনি বলেন, নির্বাচনের বছরে অর্থপাচার ঠেকাতে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নজরদারির পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক কর্তৃপক্ষ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি নিবিড়তর করা প্রয়োজন হবে।
গভর্নর বলেন, এরইমধ্যে আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ফজলে কবির নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এই মুদ্রানীতির ভঙ্গি হচ্ছে, সংযত।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা রাজী হাসান বলেন, নির্বাচনের বছরে আমদানির আড়ালে কিছু হচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে কাজ করছে আমাদের বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিএফআইইউ। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় চার হাজার কোটি টাকার ওপরে কিছু অনিয়মের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। সেটা আরও খতিয়ে দেখার জন্য আমরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠিয়েছি।
গোয়েন্দারা এগুলোর ওপর আরও তদন্ত করছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে যাবে। অর্থপাচারের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। যথাযথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দেখা হচ্ছে।


























