০২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

সাতকানিয়ায় নিরাপদ ফসল উৎপাদনে বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনী কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা এলাকার ২০ শতাংশ জমিতে লাউ চাষের জন্য আবুল কাশেম নামে একজন কৃষককে নির্বাচন করা হয়েছে। ওই কৃষককে লাউ বীজসহ বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি উপকরণ দেওয়া হয়।

বিতরণকৃত উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার), পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ ও লিউর এবং বিভিন্ন ধরনের জৈব বালাইনাশক যেমন বায়াট্রিন, বায়োশিল্ড, বায়ো এনভির ও বায়ো এলিন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, “এই বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনীটি নিরাপদ ফসল উৎপাদনের একটি কার্যকর উদ্যোগ। রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আশা করছি, এই প্রদর্শনী দেখে অন্যান্য কৃষকরাও নিরাপদ ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হবেন এবং এর মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরাও। তারা জানান, বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারে খরচ কমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণও কমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।

ডিএস./

ট্যাগ :

সাতকানিয়ায় নিরাপদ ফসল উৎপাদনে বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনী কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত : ০৪:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা এলাকার ২০ শতাংশ জমিতে লাউ চাষের জন্য আবুল কাশেম নামে একজন কৃষককে নির্বাচন করা হয়েছে। ওই কৃষককে লাউ বীজসহ বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি উপকরণ দেওয়া হয়।

বিতরণকৃত উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার), পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ ও লিউর এবং বিভিন্ন ধরনের জৈব বালাইনাশক যেমন বায়াট্রিন, বায়োশিল্ড, বায়ো এনভির ও বায়ো এলিন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, “এই বায়োপেস্টিসাইড প্রদর্শনীটি নিরাপদ ফসল উৎপাদনের একটি কার্যকর উদ্যোগ। রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করাই আমাদের লক্ষ্য। আশা করছি, এই প্রদর্শনী দেখে অন্যান্য কৃষকরাও নিরাপদ ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হবেন এবং এর মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরাও। তারা জানান, বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারে খরচ কমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ দূষণও কমে আসবে বলে তারা আশা করছেন।

ডিএস./