০১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর কাছে পরাজিত হয়ে জামানত হারালেন ৭ প্রার্থী

চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড, (আকবরশাহ ও পাহাড়তলী আংশিক) আসনে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর বড় ব্যবধানে বিজয়ী স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। একই সাথে নির্ধারিত ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, যা এ আসনের নির্বাচনি চিত্রে স্পষ্ট মেরুকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আনোয়ার সিদ্দিক পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৪০৬ ভোট, যা আসনটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে বিজয়ী প্রার্থীর বাইরে সাতজন প্রার্থী নির্ধারিত সেই সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

তারা হলেন- গণঅধিকার পরিষদ (জিওসি) ট্রাক প্রতীকের এটি এম পারভেজ, তার প্রাপ্ত ভোট ১৩৩। জনসংহতি আন্দোলন মাতাল প্রতীকের জাহিদুল আলম, তার প্রাপ্ত ভোট ২২৪। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি বই প্রতীকের মোঃ জাকারিয়া খালেদ, তার প্রাপ্ত ভোট ১২৬। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীকের মোঃ দিদারুল মাওলা। তার প্রাপ্ত ভোট ৭৭৬, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে প্রতীকের মোঃ মছিউদদৌলা, তার প্রাপ্ত ভোট ৫৯৮। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) একতারা প্রতীকের মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, তার প্রাপ্ত ভোট ৬৩৭। বাংলাদেশ ইসলামী পার্টি মোমবাতি প্রতীকের মোঃ সিরাজুদ্দৌলা, তার প্রাপ্ত ভোট ৫৮৫৬।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ভোটে স্পষ্ট দ্বিমুখী প্রতিযোগিতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত কাঠামো, কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বয় এবং ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার কার্যকর কৌশল বিজয়ী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। বিপরীতে ছোট দলগুলোর সীমিত সাংগঠনিক উপস্থিতি ও জনভিত্তির ঘাটতি ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তারেক রহমানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর কাছে পরাজিত হয়ে জামানত হারালেন ৭ প্রার্থী

প্রকাশিত : ১২:০১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড, (আকবরশাহ ও পাহাড়তলী আংশিক) আসনে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর বড় ব্যবধানে বিজয়ী স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। একই সাথে নির্ধারিত ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, যা এ আসনের নির্বাচনি চিত্রে স্পষ্ট মেরুকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আনোয়ার সিদ্দিক পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৪০৬ ভোট, যা আসনটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট অর্জনে ব্যর্থ হলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে বিজয়ী প্রার্থীর বাইরে সাতজন প্রার্থী নির্ধারিত সেই সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

তারা হলেন- গণঅধিকার পরিষদ (জিওসি) ট্রাক প্রতীকের এটি এম পারভেজ, তার প্রাপ্ত ভোট ১৩৩। জনসংহতি আন্দোলন মাতাল প্রতীকের জাহিদুল আলম, তার প্রাপ্ত ভোট ২২৪। বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি বই প্রতীকের মোঃ জাকারিয়া খালেদ, তার প্রাপ্ত ভোট ১২৬। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীকের মোঃ দিদারুল মাওলা। তার প্রাপ্ত ভোট ৭৭৬, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি কাস্তে প্রতীকের মোঃ মছিউদদৌলা, তার প্রাপ্ত ভোট ৫৯৮। বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) একতারা প্রতীকের মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, তার প্রাপ্ত ভোট ৬৩৭। বাংলাদেশ ইসলামী পার্টি মোমবাতি প্রতীকের মোঃ সিরাজুদ্দৌলা, তার প্রাপ্ত ভোট ৫৮৫৬।

ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোটসংখ্যা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ভোটে স্পষ্ট দ্বিমুখী প্রতিযোগিতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত কাঠামো, কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বয় এবং ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার কার্যকর কৌশল বিজয়ী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। বিপরীতে ছোট দলগুলোর সীমিত সাংগঠনিক উপস্থিতি ও জনভিত্তির ঘাটতি ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।

ডিএস./