০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বাজারে দাম বাড়তি দেশি কলা,শশা, লেবু , কাঁচামরিচ

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। আত্মসংযম, ত্যাগ ও ইবাদতের এই পবিত্র মাসকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে উৎসবমুখর প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গেলেও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ রোজাদারদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রমজান শুরুর আগেই ইফতার ও সেহরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও যে পণ্যগুলো তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে সেগুলোর মূল্য বেড়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, দোকানে মূল্য তালিকা টাঙ্গানো হয়নি,কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দোকান ও গুদামে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক দামে বিক্রি করছেন।

এদিকে সবজির বাজারে বিশেষ করে ইফতার সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

খেজুর প্রতি কেজি ২৫০ থেকে প্রকারভেদে বিভিন্ন ধরনের রয়েছে, কাঁচামরিচ: ১৫০–১৭০ টাকা প্রতি কেজি,শশা: ৮০ টাকা প্রতি কেজি ,লেবু: ৯০–১০০ টাকা প্রতি হালি,দেশি কলা: ১৮০–২০০ টাকা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, রমজান এলেই প্রতিবছর এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এছাড়াও মুদিপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখীইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ ছোলা ও চিনি’র দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোলা: ৯০ টাকা প্রতি কেজি
চিনি: ১০৫ টাকা প্রতি কেজি

এছাড়া মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে।
ব্রয়লার মুরগি: ২০০ টাকা প্রতি কেজি
দেশি মুরগি: ৭৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে রমজান উপলক্ষে লেবু শশা ও কাঁচামরিচ কিছুটা দাম বাড়তি তবে বাকি সব সবজির দাম আগের মত স্বাভাবিক রয়েছে।

সাধারণ রোজাদাররা মনে করছেন, পবিত্র এই মাসে ব্যবসায়ীদের মানবিক হওয়া উচিত। রমজান সংযম ও সহমর্মিতার মাস এ সময়ে অতিরিক্ত মুনাফা না করে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা নৈতিক দায়িত্ব।
ভোক্তারা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা যায়।

রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। তাই সকলের প্রত্যাশা এই পবিত্র মাসে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক এবং রোজাদাররা যেন স্বস্তিতে ইফতার ও সেহরি করতে পারেন।

 

ডিএস,.

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

বাজারে দাম বাড়তি দেশি কলা,শশা, লেবু , কাঁচামরিচ

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশিত : ০৫:০৪:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। আত্মসংযম, ত্যাগ ও ইবাদতের এই পবিত্র মাসকে ঘিরে মুসলমানদের মধ্যে উৎসবমুখর প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গেলেও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ রোজাদারদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রমজান শুরুর আগেই ইফতার ও সেহরির প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। কয়েকদিন আগেও যে পণ্যগুলো তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে সেগুলোর মূল্য বেড়ে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, দোকানে মূল্য তালিকা টাঙ্গানো হয়নি,কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দোকান ও গুদামে পণ্য মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক দামে বিক্রি করছেন।

এদিকে সবজির বাজারে বিশেষ করে ইফতার সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

খেজুর প্রতি কেজি ২৫০ থেকে প্রকারভেদে বিভিন্ন ধরনের রয়েছে, কাঁচামরিচ: ১৫০–১৭০ টাকা প্রতি কেজি,শশা: ৮০ টাকা প্রতি কেজি ,লেবু: ৯০–১০০ টাকা প্রতি হালি,দেশি কলা: ১৮০–২০০ টাকা প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, রমজান এলেই প্রতিবছর এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এছাড়াও মুদিপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখীইফতারের অন্যতম প্রধান উপকরণ ছোলা ও চিনি’র দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোলা: ৯০ টাকা প্রতি কেজি
চিনি: ১০৫ টাকা প্রতি কেজি

এছাড়া মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে।
ব্রয়লার মুরগি: ২০০ টাকা প্রতি কেজি
দেশি মুরগি: ৭৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে রমজান উপলক্ষে লেবু শশা ও কাঁচামরিচ কিছুটা দাম বাড়তি তবে বাকি সব সবজির দাম আগের মত স্বাভাবিক রয়েছে।

সাধারণ রোজাদাররা মনে করছেন, পবিত্র এই মাসে ব্যবসায়ীদের মানবিক হওয়া উচিত। রমজান সংযম ও সহমর্মিতার মাস এ সময়ে অতিরিক্ত মুনাফা না করে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা নৈতিক দায়িত্ব।
ভোক্তারা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা যায়।

রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। তাই সকলের প্রত্যাশা এই পবিত্র মাসে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক এবং রোজাদাররা যেন স্বস্তিতে ইফতার ও সেহরি করতে পারেন।

 

ডিএস,.