০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

অভিযান থামলেই আগের চিত্র, ভালুকায় ফের যানজট: পৌর প্রশাসক

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ড কার্যকর না থাকায় মহাসড়কেই চলছে যাত্রী ওঠানামা। এতে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দীর্ঘদিন ধরেই ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দিষ্ট স্থান ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও অধিকাংশ বাস ও যানবাহন সেখানে থামছে না। বরং ভালুকার জিরো পয়েন্টকেই অঘোষিত স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে গফরগাঁও থেকে আসা যানবাহন মহাসড়কে উঠতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঢাকাগামী বাসগুলোকে পড়তে হচ্ছে দীর্ঘ যানজটে।

একই চিত্র দেখা যায় মহাসড়কের বিপরীত পাশেও। ময়মনসিংহগামী সড়কে ভালুকা বাজারমুখী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন একই রুট ব্যবহার করায় নিয়মিত জট লেগেই থাকে। এর সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের একই স্থানে মালামাল ওঠানামা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ বিষয়ে ভালুকা পৌর প্রশাসক ইকবাল হোসাইন বলেন, ভালুকা জিরো পয়েন্টের যানজটের প্রধান কারণ সমন্বয়হীনতা। রাস্তার উত্তর পাশে সিএনজি স্ট্যান্ড এবং দক্ষিণ পাশে স্মৃতিসৌধ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য আলাদা স্ট্যান্ড করা হয়েছে। কিন্তু চালকরা নির্ধারিত স্থানে না দাঁড়িয়ে রাস্তার দুপাশে দাঁড়াচ্ছেন। অন্যদিকে যাত্রীরাও রাস্তা থেকেই ওঠানামায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, যা সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভা থেকে কিছুদিন অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। সংশ্লিষ্টরা চলে গেলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় সবকিছু। ভালুকায় বাসের কোনো রেস্টিং স্ট্যান্ড না থাকায় অধিকাংশ বাস ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসে। তবে ইতোমধ্যে বাস বে, সিএনজি স্ট্যান্ড এবং অটোরিকশা স্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু নিয়মিত তদারকি না থাকায় সেগুলোর সুফল মিলছে না।

পৌর প্রশাসকের মতে, চালক ও যাত্রীরা যদি নিজ নিজ নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করেন, তাহলে অতিরিক্ত অবকাঠামো ছাড়াই অনেকাংশে যানজট কমানো সম্ভব।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বুড়িচংয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

অভিযান থামলেই আগের চিত্র, ভালুকায় ফের যানজট: পৌর প্রশাসক

প্রকাশিত : ০৪:১৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ড কার্যকর না থাকায় মহাসড়কেই চলছে যাত্রী ওঠানামা। এতে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দীর্ঘদিন ধরেই ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী ও চালকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দিষ্ট স্থান ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও অধিকাংশ বাস ও যানবাহন সেখানে থামছে না। বরং ভালুকার জিরো পয়েন্টকেই অঘোষিত স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে গফরগাঁও থেকে আসা যানবাহন মহাসড়কে উঠতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঢাকাগামী বাসগুলোকে পড়তে হচ্ছে দীর্ঘ যানজটে।

একই চিত্র দেখা যায় মহাসড়কের বিপরীত পাশেও। ময়মনসিংহগামী সড়কে ভালুকা বাজারমুখী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন একই রুট ব্যবহার করায় নিয়মিত জট লেগেই থাকে। এর সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের একই স্থানে মালামাল ওঠানামা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ বিষয়ে ভালুকা পৌর প্রশাসক ইকবাল হোসাইন বলেন, ভালুকা জিরো পয়েন্টের যানজটের প্রধান কারণ সমন্বয়হীনতা। রাস্তার উত্তর পাশে সিএনজি স্ট্যান্ড এবং দক্ষিণ পাশে স্মৃতিসৌধ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য আলাদা স্ট্যান্ড করা হয়েছে। কিন্তু চালকরা নির্ধারিত স্থানে না দাঁড়িয়ে রাস্তার দুপাশে দাঁড়াচ্ছেন। অন্যদিকে যাত্রীরাও রাস্তা থেকেই ওঠানামায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, যা সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পৌরসভা থেকে কিছুদিন অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। সংশ্লিষ্টরা চলে গেলে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় সবকিছু। ভালুকায় বাসের কোনো রেস্টিং স্ট্যান্ড না থাকায় অধিকাংশ বাস ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসে। তবে ইতোমধ্যে বাস বে, সিএনজি স্ট্যান্ড এবং অটোরিকশা স্ট্যান্ড তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু নিয়মিত তদারকি না থাকায় সেগুলোর সুফল মিলছে না।

পৌর প্রশাসকের মতে, চালক ও যাত্রীরা যদি নিজ নিজ নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করেন, তাহলে অতিরিক্ত অবকাঠামো ছাড়াই অনেকাংশে যানজট কমানো সম্ভব।

ডিএস./