০৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা কর্মী সংকট, ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার প্রায় তিন লক্ষ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে চরম জনবল সংকটে কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবে হাসপাতালের স্বাভাবিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। এর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর ৫টি পদের একটিতেও বর্তমানে কেউ কর্মরত নেই। এছাড়া ২টি আয়া পদের বিপরীতেও কোনো কর্মী নেই। অফিস সহায়ক পদের ৪টির মধ্যে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। একইভাবে কুক কাম মশালচি পদের ২টির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১ জন।

পরিচ্ছন্নতা কর্মী না থাকায় হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় রোগীর স্বজনদেরই ওয়ার্ড পরিষ্কার করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে হাসপাতালের সেবার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা পেতে দেরি হয়। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতার অভাবে রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. শারমিন আহমেদ তিথি বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই যেসব পদে জনবল ঘাটতি রয়েছে, সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। শূন্য পদগুলো পূরণের চেষ্টা চলছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালীগঞ্জে কারখানায় সেনাবাহিনীর অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা কর্মী সংকট, ব্যাহত স্বাস্থ্যসেবা

প্রকাশিত : ০৪:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার প্রায় তিন লক্ষ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বর্তমানে চরম জনবল সংকটে কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবে হাসপাতালের স্বাভাবিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব খাতভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। এর মধ্যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর ৫টি পদের একটিতেও বর্তমানে কেউ কর্মরত নেই। এছাড়া ২টি আয়া পদের বিপরীতেও কোনো কর্মী নেই। অফিস সহায়ক পদের ৪টির মধ্যে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২ জন। একইভাবে কুক কাম মশালচি পদের ২টির মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র ১ জন।

পরিচ্ছন্নতা কর্মী না থাকায় হাসপাতালের ওয়ার্ড, টয়লেট ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক সময় রোগীর স্বজনদেরই ওয়ার্ড পরিষ্কার করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে হাসপাতালের সেবার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় প্রয়োজনীয় সেবা পেতে দেরি হয়। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতার অভাবে রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. শারমিন আহমেদ তিথি বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই যেসব পদে জনবল ঘাটতি রয়েছে, সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করেছি। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। শূন্য পদগুলো পূরণের চেষ্টা চলছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।”

ডিএস./