০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

কার্ড নেই? গেঞ্জিই হলো ফুয়েল কার্ড!

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় তেল না পেয়ে এক ব্যবসায়ী ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জামতৈল বাজারে মোটরসাইকেলে ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায় নূর মোহাম্মদ নামের ওই ব্যবসায়ীকে। তিনি উপজেলার বড়পাকুরিয়া এলাকার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। বাজারে তার ‘সোনালী টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিকস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল কাজীপুর মোড় এলাকার একটি তেলের পাম্পে জ্বালানি নিতে গেলে তাকে তেল দেওয়া হয়নি। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর ৬ এপ্রিল তিনি ভিন্নভাবে বিষয়টি সমাধানের চিন্তা করেন।

নিজের ফুয়েল কার্ডটি সবসময় সঙ্গে রাখা কঠিন হওয়ায় সেটিই গেঞ্জিতে প্রিন্ট করিয়ে নেন তিনি। গেঞ্জির সামনে তার নাম, পরিচয় ও ছবিসহ কার্ডের মূল অংশ এবং পেছনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ছাপানো রয়েছে।

নূর মোহাম্মদ বলেন, তেল নিতে গেলে প্রায়ই ‘কার্ড লাগবে’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি কার্ডের ছবি দেখালেও গ্রহণ করা হয়নি। পরে ঝামেলা এড়াতে তিনি গেঞ্জিতে কার্ডটি প্রিন্ট করার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি জানান, এই ব্যবস্থা চালু থাকা পর্যন্ত তিনি এই গেঞ্জিই ব্যবহার করবেন। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এলাকাবাসীর মাঝে বিস্ময় ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএস./

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কার্ড নেই? গেঞ্জিই হলো ফুয়েল কার্ড!

প্রকাশিত : ০৫:২১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় তেল না পেয়ে এক ব্যবসায়ী ফুয়েল কার্ড গেঞ্জিতে প্রিন্ট করে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জামতৈল বাজারে মোটরসাইকেলে ওই গেঞ্জি পরে চলাচল করতে দেখা যায় নূর মোহাম্মদ নামের ওই ব্যবসায়ীকে। তিনি উপজেলার বড়পাকুরিয়া এলাকার মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। বাজারে তার ‘সোনালী টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিকস’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল কাজীপুর মোড় এলাকার একটি তেলের পাম্পে জ্বালানি নিতে গেলে তাকে তেল দেওয়া হয়নি। পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর ৬ এপ্রিল তিনি ভিন্নভাবে বিষয়টি সমাধানের চিন্তা করেন।

নিজের ফুয়েল কার্ডটি সবসময় সঙ্গে রাখা কঠিন হওয়ায় সেটিই গেঞ্জিতে প্রিন্ট করিয়ে নেন তিনি। গেঞ্জির সামনে তার নাম, পরিচয় ও ছবিসহ কার্ডের মূল অংশ এবং পেছনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ছাপানো রয়েছে।

নূর মোহাম্মদ বলেন, তেল নিতে গেলে প্রায়ই ‘কার্ড লাগবে’ বলে ফিরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি কার্ডের ছবি দেখালেও গ্রহণ করা হয়নি। পরে ঝামেলা এড়াতে তিনি গেঞ্জিতে কার্ডটি প্রিন্ট করার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি জানান, এই ব্যবস্থা চালু থাকা পর্যন্ত তিনি এই গেঞ্জিই ব্যবহার করবেন। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এলাকাবাসীর মাঝে বিস্ময় ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।

ডিএস./