দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের বাধের ঘোড়া এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে জসিম উদ্দিন নামে এক কাঠমিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত জসিম উদ্দিনের বাড়ি সেনবাগ উপজেলার লেমুয়া বড় বাড়ি এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ফার্নিচার ব্যবসায়ী জাকের হোসেনের দোকানে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতে সহকর্মীদের সঙ্গে চা পান করে রাত প্রায় ১২টার দিকে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান জসিম উদ্দিন। রোববার সকাল ৭টা থেকে তাকে একাধিকবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশে খবর দিলে দাগনভূঞা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।
তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকজনিত কারণে মারা যেতে পারেন। তবে প্রকৃত মৃত্যুর কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাস্থলে নিহতের ছোট ভাই সুমন জানান, জসিম উদ্দিনের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। মাত্র দুই দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফিরে আসেন।
নিহতের পরিবারে স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়জুল আজিম নোমান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও অধিকতর তদন্তের স্বার্থে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডিএস./



















