ফরিদপুর,রাজবাড়ি সীমানায় গত ১৪ মে কোতয়ালী থানাধীন চর মাধবদী ইউনিয়নের কালিতলার পুকুরপাড়ে মা- মেয়েকে মাটি চাপা দেয়া মরদহ উদ্ধার করার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করায় ফরিদপুর কোতায়ালী থানা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রবিবার দুপুরে কোতায়ালী থানায় সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,(অর্থও প্রশাসন ) ফাতেমা ইসলাম ইন্সপেক্টর মোঃ মোশারফ হোসেন ( ডি আই ওয়ান)
পুলিশ জানায়, ঢাকার আমিনবাজার এলাকায় একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারা বেগমের সঙ্গে উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে উজ্জ্বল খান জাহানারাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে।
গত ৪ মার্চ রাতে কোতয়ালী থানার চর মাধবদী ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় একটি নির্জন ছাপড়া ঘরে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উজ্জ্বল খান প্রথমে জাহানারা বেগম(৩০) ও তার শিশু কন্যা সামিয়ারা(৫)কে
শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। মা মেয়ে রাজবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।এরপর আসামী নিজ বাড়ি থেকে কোদাল এনে গর্ত খুঁড়ে মা-মেয়ের মরদেহ মাটি চাপা দেয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজন মোঃ লালন মোল্লা কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার বকারটিলা এলাকা থেকে মোঃ উজ্জ্বল খান (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলন আরও উপস্থিত ছিলেন,ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান,পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আব্দুল্লাহ বিশ্বাসসহ বিভিন্ন সংবাদ কর্মীরা
ডিএস./



















