০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

কালিয়াকৈরে ১৫ কোটি টাকা মূল্যের জবরদখল হওয়া বন বিভাগের জমি উদ্ধার

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর পৌরসভাস্থ মন্ডলপাড়া এলাকায় বন বিভাগের প্রায় ৭০ শতাংশ জবরদখল হওয়া জমি দখলমুক্ত করেছে ঢাকা বন বিভাগ।

সোমবার সকালে (২২ জুন) ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা ফরেস্ট অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি বন বিভাগের জবরদখল হওয়ার জমি উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত জমিতে সাত শতাধিক বনজী ও ফলজী গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বনায়ন কার্যক্রম শুরু করে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা বিট কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন।

এ সময় চন্দ্রা বিট অফিসের ফরেস্ট গার্ড আব্দুল লতিফ, এনামুল হক , মামুনুর রশিদ সহ অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু গোডাউন মালিক ও ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বন বিভাগের জমি দখল করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন। এ সময় গজারি গাছ কেটে ফেলার ফলে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশের উদ্ধারকৃত জমিতে উচ্ছেদের পরও প্লাস্টিক, পাটের বস্তা ও অন্যান্য বর্জ্যের স্তূপ পড়ে রয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকরা জমি পরিষ্কার করে সারিবদ্ধভাবে চারা রোপণের কাজ করছেন।

চারাগুলো রক্ষায় জমির চারপাশে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপন এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজও চলছে, যাতে গবাদিপশু বা পুনরায় দখলকারীরা ক্ষতি করতে না পারে।

ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা বিট কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান যারা অবৈধভাবে বনভূমি জবরদখল করবে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। চন্দ্রাবিট অফিসের আওতাধীন মন্ডলপাড়ার ৭০ শতাংশ বনভূমি দখলমুক্ত করে সেখানে ৭০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। বনভূমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./

ট্যাগ :

রহিম আফরোজের সাথে শাহ্ কর্পোরেশনের পথচলার ২৫ বছর পূর্তিতে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

কালিয়াকৈরে ১৫ কোটি টাকা মূল্যের জবরদখল হওয়া বন বিভাগের জমি উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৫:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর পৌরসভাস্থ মন্ডলপাড়া এলাকায় বন বিভাগের প্রায় ৭০ শতাংশ জবরদখল হওয়া জমি দখলমুক্ত করেছে ঢাকা বন বিভাগ।

সোমবার সকালে (২২ জুন) ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা ফরেস্ট অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি বন বিভাগের জবরদখল হওয়ার জমি উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত জমিতে সাত শতাধিক বনজী ও ফলজী গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বনায়ন কার্যক্রম শুরু করে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা বিট কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন।

এ সময় চন্দ্রা বিট অফিসের ফরেস্ট গার্ড আব্দুল লতিফ, এনামুল হক , মামুনুর রশিদ সহ অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু গোডাউন মালিক ও ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বন বিভাগের জমি দখল করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছিলেন। এ সময় গজারি গাছ কেটে ফেলার ফলে এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশের উদ্ধারকৃত জমিতে উচ্ছেদের পরও প্লাস্টিক, পাটের বস্তা ও অন্যান্য বর্জ্যের স্তূপ পড়ে রয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকরা জমি পরিষ্কার করে সারিবদ্ধভাবে চারা রোপণের কাজ করছেন।

চারাগুলো রক্ষায় জমির চারপাশে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপন এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজও চলছে, যাতে গবাদিপশু বা পুনরায় দখলকারীরা ক্ষতি করতে না পারে।

ডেপুটি রেঞ্জার ও চন্দ্রা বিট কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান যারা অবৈধভাবে বনভূমি জবরদখল করবে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। চন্দ্রাবিট অফিসের আওতাধীন মন্ডলপাড়ার ৭০ শতাংশ বনভূমি দখলমুক্ত করে সেখানে ৭০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। বনভূমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./