১০:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যে পথে ঘাতকের ট্যাঙ্ক সে পথে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের আলোর মিছিল

যারা জাতির পিতার অবদানকে অস্বীকার করে তারা বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে। তারা বাঙালি কিনা এ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তাদের এদেশে থাকার অধিকার নেই।

মঙ্গলবার মানিক মিয়া এভিনিউস্থ টিএন্ডটি মাঠ সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু চত্তরে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘আলোর মিছিল’ পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জাতির পিতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। আর বাংলাদেশ না হলে দেশের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে কোন বাঙালি আসীন হতে পারতেন না। বাঙালি হিসেবে এ কথাটি আমাদের সকলের মনে রাখা উচিত।’

যে পথে ঘাতকের ট্যাঙ্ক গিয়ে জাতির পিতাকে হত্যা করে বাঙ্গালী জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছে, সে পথে ৪৩টি মশাল নিয়ে ‘আলোর মিছিল’ করেছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান শাহিনের সঞ্চালনায় মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির সভাপতি ডা. রোকেয়া সুলতানা। বক্তৃতা করেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সংসদ সদস্য নুরুল হক হাওলাদারের কন্যা জোবায়দা হক অজন্তা, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী মাহববুর রহমান রুহেল ও ডা. সুব্রত ঘোষ, সহ-সভাপতি সৈকত বাঙালি, সাংবাদিক মিজান রহমান ও ওমর ফারুক সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ রনি, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আনিসুল রহমান মোল্লা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম আব্দুল্লাহ মো. সোহাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নাঈমুর রহমান, তিতুমীর কলেজের সভাপতি ওয়াজকুরুনী ও ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সভাপতি নাজিয়া ইসলাম অভি অংশগ্রহন করেন।

বক্তারা বলেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বিদেশের মাটিতে বসে একটি চক্র ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। দেশে একজন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে থাকতে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বেঁচে থাকতে বাংলার মাটিতে আর কোন ষড়যন্ত্রকে বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না।

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ টিএন্ডটি মাঠের সামনে নেতৃবৃন্দ আলোর মিছিলটি উদ্বোধন করেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে গিয়ে সভাপতি মো.সাজ্জাদ হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান। মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল ১৫ আগস্ট সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীনের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবে।

ট্যাগ :

রণতরীর দিকে ধেয়ে আসছিল ইরানের ড্রোন, গুলি করে নামালো যুক্তরাষ্ট্র

যে পথে ঘাতকের ট্যাঙ্ক সে পথে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের আলোর মিছিল

প্রকাশিত : ১১:৪১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮

যারা জাতির পিতার অবদানকে অস্বীকার করে তারা বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে। তারা বাঙালি কিনা এ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তাদের এদেশে থাকার অধিকার নেই।

মঙ্গলবার মানিক মিয়া এভিনিউস্থ টিএন্ডটি মাঠ সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু চত্তরে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘আলোর মিছিল’ পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জাতির পিতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। আর বাংলাদেশ না হলে দেশের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে কোন বাঙালি আসীন হতে পারতেন না। বাঙালি হিসেবে এ কথাটি আমাদের সকলের মনে রাখা উচিত।’

যে পথে ঘাতকের ট্যাঙ্ক গিয়ে জাতির পিতাকে হত্যা করে বাঙ্গালী জাতিকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করেছে, সে পথে ৪৩টি মশাল নিয়ে ‘আলোর মিছিল’ করেছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান শাহিনের সঞ্চালনায় মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির সভাপতি ডা. রোকেয়া সুলতানা। বক্তৃতা করেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সংসদ সদস্য নুরুল হক হাওলাদারের কন্যা জোবায়দা হক অজন্তা, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রকৌশলী মাহববুর রহমান রুহেল ও ডা. সুব্রত ঘোষ, সহ-সভাপতি সৈকত বাঙালি, সাংবাদিক মিজান রহমান ও ওমর ফারুক সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ রনি, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আনিসুল রহমান মোল্লা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম আব্দুল্লাহ মো. সোহাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি নাঈমুর রহমান, তিতুমীর কলেজের সভাপতি ওয়াজকুরুনী ও ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সভাপতি নাজিয়া ইসলাম অভি অংশগ্রহন করেন।

বক্তারা বলেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বিদেশের মাটিতে বসে একটি চক্র ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। দেশে একজন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে থাকতে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বেঁচে থাকতে বাংলার মাটিতে আর কোন ষড়যন্ত্রকে বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না।

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ টিএন্ডটি মাঠের সামনে নেতৃবৃন্দ আলোর মিছিলটি উদ্বোধন করেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে গিয়ে সভাপতি মো.সাজ্জাদ হোসেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান। মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল ১৫ আগস্ট সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীনের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবে।