০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

৮ পণ্য থেকে এসেছে ৯৬ শতাংশ

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ের ৯৫.৮৪ শতাংশই এসেছে দেশের প্রধান ৮টি পণ্য খাত থেকে। এই খাতগুলো থেকে আয় হয়েছে ৩৫১৪২.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। রপ্তানিকৃত ৮টি খাতের মধ্যে রয়েছে ওভেন পোশাক, নীটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবিত মাছ, কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও চামড়ার পাদুকা এবং প্রকৌশল দ্রব্যাদি।

বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পণ্যখাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৩৪৬৫৫.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৩৭,৫০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৩৬৬৬৮.১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের তুলনায় ৫.৮১ শতাংশ বেশী। আলোচ্য সময়ে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ওভেন বা শীতের পোষাক খাতে থেকে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওভেন পোশাকের রপ্তানি আয় ১৫৪২৬.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময় অপেক্ষা ৭.১৮ শতাংশ বেশী। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪২.০৭ শতাংশ। ওভেন পোশাক খাতের পরেই রয়েছে নীট পোষাক খাত।

রপ্তানি আয়ের ৪১.৪২ শতাংশই এসেছে এই খাত থেকে। নীট পোষাক খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ১৫১৮৮.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ১৩৭৫৭.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১০.৪০ শতাংশ বেশী। হোম টেক্সটাইল খাতে ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭৮.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিগত বছরে এই খাতে আয় হয়েছিল ৭৯৯.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৯৫ শতাংশ। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৪০ শতাংশ। হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আয় হয়েছে ৫০৮.৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৫২৬.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৩.৪২ শতাংশ কম। বিগত অর্থবছরের রপ্তানি আয় ৪৬৪.৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.২৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে এই অর্থবছরে এ পণ্যটির রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪২৬.০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে হিমায়িত ও জীবিত মৎস খাতের অবদান ১.৩৯ শতাংশ। কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৫৫৩.১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ২১.৭৯ শতাংশ বেশী। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের বদান ১.৮৪ শতাংশ। কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে গত অর্থবছরের তুলনায় ৬.৫৬ শতাংশ বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০২৫.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত বছরে একই সময়ের ৯৬২.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অপেক্ষা ৬.৫৬ শতাংশেরও বেশী। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৮০ শতাংশ।

চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০৮৫.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ১২৩৪.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ১২.০৩ শতাংশ কম। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৯৬ শতাংশ। প্রকৌশল দ্রব্যাদি খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৫৫.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৬৮৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অপেক্ষা ৪৮.৩২ শতাংশ কম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে আজ তারেক রহমানের জনসভা

৮ পণ্য থেকে এসেছে ৯৬ শতাংশ

প্রকাশিত : ১১:৪১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রপ্তানি আয়ের ৯৫.৮৪ শতাংশই এসেছে দেশের প্রধান ৮টি পণ্য খাত থেকে। এই খাতগুলো থেকে আয় হয়েছে ৩৫১৪২.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে। রপ্তানিকৃত ৮টি খাতের মধ্যে রয়েছে ওভেন পোশাক, নীটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবিত মাছ, কৃষিজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও চামড়ার পাদুকা এবং প্রকৌশল দ্রব্যাদি।

বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে পণ্যখাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ৩৪৬৫৫.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৩৭,৫০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৩৬৬৬৮.১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের তুলনায় ৫.৮১ শতাংশ বেশী। আলোচ্য সময়ে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে ওভেন বা শীতের পোষাক খাতে থেকে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওভেন পোশাকের রপ্তানি আয় ১৫৪২৬.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময় অপেক্ষা ৭.১৮ শতাংশ বেশী। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪২.০৭ শতাংশ। ওভেন পোশাক খাতের পরেই রয়েছে নীট পোষাক খাত।

রপ্তানি আয়ের ৪১.৪২ শতাংশই এসেছে এই খাত থেকে। নীট পোষাক খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় ১৫১৮৮.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ১৩৭৫৭.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১০.৪০ শতাংশ বেশী। হোম টেক্সটাইল খাতে ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭৮.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিগত বছরে এই খাতে আয় হয়েছিল ৭৯৯.১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৯৫ শতাংশ। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৪০ শতাংশ। হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আয় হয়েছে ৫০৮.৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৫২৬.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৩.৪২ শতাংশ কম। বিগত অর্থবছরের রপ্তানি আয় ৪৬৪.৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.২৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে এই অর্থবছরে এ পণ্যটির রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪২৬.০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে হিমায়িত ও জীবিত মৎস খাতের অবদান ১.৩৯ শতাংশ। কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৫৫৩.১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ২১.৭৯ শতাংশ বেশী। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের বদান ১.৮৪ শতাংশ। কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে গত অর্থবছরের তুলনায় ৬.৫৬ শতাংশ বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০২৫.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত বছরে একই সময়ের ৯৬২.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অপেক্ষা ৬.৫৬ শতাংশেরও বেশী। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৮০ শতাংশ।

চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০৮৫.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ১২৩৪.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ১২.০৩ শতাংশ কম। উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৯৬ শতাংশ। প্রকৌশল দ্রব্যাদি খাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৫৫.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বিগত বছরে একই সময়ের ৬৮৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অপেক্ষা ৪৮.৩২ শতাংশ কম।