আজ থেকে সারাদেশে হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটিসহ ৩ দিন বন্ধ থাকায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।
পরিবার প্রতি পাঁচ জন হিসেবে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ বছরে পাঁচ মাস এই সুবিধা পাচ্ছেন। নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর মার্চ ও এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বর- অক্টোবর ও নভেম্বর এই পাঁচ মাস ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়ে থাকে। প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার।
বর্তমানে দেশে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৮৪ লাখ মেট্টিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এরমধ্যে চাল ১৩ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্টিক টন ও গম ২ দশমিক ৫০ লাখ মেট্টিক টন। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এই তিন মাসে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন চাল প্রয়োজন হবে।

ইতোমধ্যে চাল বিক্রির জন্য উপকারভোগীর ৫০ লাখ কার্ড প্রদান করা হয়েছে। কার্ডধারী ব্যক্তিদের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হবে। দেশের ৬৪ জেলার ৫০ লাখ দরিদ্র মানুষ বছরে পাঁচ মাসের জন্য এ কর্মসূচির সুফল পেয়ে আসছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি রয়েছে। কমিটিতে জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন। তারাই হতদরিদ্র পরিবারের সংখ্যা ঠিক করে তাদের কার্ড দিয়েছেন। কার্ডধারীদের নীতিমালা অনুযায়ী চাল দেয়া হয়। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় নিরন্ন মানুষের জন্য ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।





















