ঢাকা সন্ধ্যা ৭:৪০, বুধবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া চলমান

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়া চলমান

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। জাতিসংঘের ভ‚মিকা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং ক‚টনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। কফি আনান কমিশনের রিপোর্টকে ভিত্তি করে সমাধান বের করতে হবে। মঙ্গলবার ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এবং এটিএন বাংলার যৌথ আয়োজনে রাজধানীর এফডিসিতে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কুটনৈতিক প্রচেষ্টা’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ বিতর্ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে (রোহিঙ্গা) গুনে গুনে ফেরত নিতে হবে। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। তাদের নাগরিকত্ব ফেরত দিতে হবে। তিনি বলেন, ভারতের মত মিয়ানমার আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র। মিয়ানমার তাদের অভ্যন্তরিন সমস্যা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার বাংলাদেশকে আক্রমন করেনি, আমরাও মিয়ানমার আক্রমন করিনি। কিন্তু তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির প্রতি বর্বরোচিত নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে এবং অত্যাচার করেছে। যার ফলে রোহিঙ্গারা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখন ধৈর্য ধরে মুন্সিয়ানার সাথে এ সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, যা মানবিকভাবে বিবেচনা করা জরুরী। এটা নিয়ে রাজনীতি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনার (রোহিঙ্গা সমস্যা) রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাত্রা আছে। এর সমাধান কি সামরিক পথে হবে, নাকি রাজনৈতিক নাকি কুটনৈতিক পথে সমাধান হবে? এই সমস্যা তুলে ধরতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রেখেছে দেশী-বিদেশী গণমাধ্যম। এই সংকটে বাংলাদেশ কোন আন্তর্জাতিক সাহায্য না চেয়ে একাই মোকাবেলার চেষ্টা করেছে। তবে বন্ধু রাষ্ট্রগুলো নানা রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার মনে করে ১৬ কোটি মানুষ খেতে পারলে, তারাও খেতে পারবে’। তিনি বলেন, ‘ভারত, চীন, রাশিয়া রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পক্ষে নয়, তবু তারা বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে এ সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করার কথা বলেছে। অং সান সুচি তার ভাষনে স্বীকার করেছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে চলে এসেছে, এটিও আমাদের ক‚টনৈতিক তৎপরতারই বিজয়’। প্রতিযোগিতায় প্রাইম ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি বিজয়ী হয়। এতে বিচারক ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের কুটনৈতিক সম্পাদক মাঈনুল আলম, অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস ও ক‚টনৈতিক সাংবাদিক আঙ্গুর নাহার মন্টি।

এ বিভাগের আরও সংবাদ