০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিনদিন পর মায়ের বুকে শিশুটি

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় প্রসব বেদনায় কাতর স্ত্রীকে না জানিয়ে নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাবা এজান উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ঘটনার তিনদিন পর আবার মায়ের বুকে ঠাঁই হয়েছে শিশুটির।

জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর শাইলবাড়ী গ্রামের কৃষক এজান উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। স্ত্রীর অগোচরে এজান তার শিশুসন্তানকে পার্শ্ববর্তী বদরগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর এলাকার শামিমা বেগমের কাছে রাতেই বিক্রি করে দেন। জ্ঞান ফিরে স্ত্রীকে সব জানান এজান।

নাসরিন কান্নাকাটি শুরু করলে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে স্থানীয়দের উদ্যোগে গত সোমবার বিকালে ক্রেতা শামিমাসহ নাসরিনের শিশুটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে শিশুটিকে তার মা নাসরিনের কোলে তুলে দেয়া হয়।

ক্রেতা শামিমার দাবি, ৫-৬ মাস আগে নাসরিন ও তার স্বামী সংসারে অভাবের কারণে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শিশু সন্তানটিকে নষ্ট করার জন্য যায়। ওই দিন শামিমার সঙ্গে নাসরিন ও তার স্বামী এজানের পরিচয় হয়। শিশুটিকে নষ্ট না করে শামিমা তার নিঃসন্তান এক ভাতিজিকে দিতে বলেন। সে কথামতো কৃষক এজান শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শামিমার কাছে বিক্রি করে দেন।

ট্যাগ :

কিংবদন্তি ফুটবলার রণজিৎ দাস আর নেই

তিনদিন পর মায়ের বুকে শিশুটি

প্রকাশিত : ১১:৩৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় প্রসব বেদনায় কাতর স্ত্রীকে না জানিয়ে নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাবা এজান উদ্দিনের বিরুদ্ধে। ঘটনার তিনদিন পর আবার মায়ের বুকে ঠাঁই হয়েছে শিশুটির।

জানা গেছে, ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর শাইলবাড়ী গ্রামের কৃষক এজান উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। স্ত্রীর অগোচরে এজান তার শিশুসন্তানকে পার্শ্ববর্তী বদরগঞ্জ উপজেলার সাহাপুর এলাকার শামিমা বেগমের কাছে রাতেই বিক্রি করে দেন। জ্ঞান ফিরে স্ত্রীকে সব জানান এজান।

নাসরিন কান্নাকাটি শুরু করলে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে স্থানীয়দের উদ্যোগে গত সোমবার বিকালে ক্রেতা শামিমাসহ নাসরিনের শিশুটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে শিশুটিকে তার মা নাসরিনের কোলে তুলে দেয়া হয়।

ক্রেতা শামিমার দাবি, ৫-৬ মাস আগে নাসরিন ও তার স্বামী সংসারে অভাবের কারণে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শিশু সন্তানটিকে নষ্ট করার জন্য যায়। ওই দিন শামিমার সঙ্গে নাসরিন ও তার স্বামী এজানের পরিচয় হয়। শিশুটিকে নষ্ট না করে শামিমা তার নিঃসন্তান এক ভাতিজিকে দিতে বলেন। সে কথামতো কৃষক এজান শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শামিমার কাছে বিক্রি করে দেন।