ঢাকা সকাল ৯:৪৮, বুধবার, ৩০শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে অনেক উপরে বাংলাদেশ

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ইফপ্রি) প্রকাশিত ২০১৭ সালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। ইফপ্রির চলতি বছরের তালিকায় বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৮৮তম।
গত বছর অর্থাৎ ২০১৬ সালে তালিকার ৯০তম স্থানে ছিল বাংলাদেশ।
এই সূচকে বাংলাদেশ থেকে অনেক পিছিয়ে ভারত। তারা নেপাল, উত্তর কোরিয়া ও ইরাকের নিচে অবস্থান করছে। ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
দক্ষিণ এশিয়ার বড় এই দেশটিতে উন্নয়নের প্রভাব যতোই লাগুক, তাদের খাদ্য সমস্যা যে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা প্রতিফলিত হলো সম্প্রতি প্রকাশিত ক্ষুধা সূচকে। মোট ১১৯টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ভারত রয়েছে ১০০তম স্থানে। সূচকে ভারতের পয়েন্ট হয়েছে ৩১ দশমিক ৪। যেখানে ৩৫ দশমিক ০ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ পয়েন্ট হলেই তা উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচিত হয়।
গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী নেপাল ৭২-এ, মিয়ানমার ৭৭, শ্রীলঙ্কা ৮৪ ও চীন ২৯তম। এদিকে ভারতেরও নিচে পাকিস্তান ১০৬তম।
রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছর ভারতের খাদ্য সমস্যার জেরেই দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল ক্ষুধা সূচকে পিছিয়ে পড়েছে।
মূলত চারটি কারণের ভিত্তিতে ক্ষুধা সূচক তৈরি হয়। এগুলো হলো, জনসংখ্যায় অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর অনুপাত, শিশুমৃত্যু, শিশু পাচার ও শিশু অবক্ষয়ের হার।
এ নিয়ে দ্বাদশবারের মতো বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করল ইফপ্রি। তারা বলছে, ২০০০ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার মাত্রা কমেছে প্রায় ২৭ শতাংশ।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষুধাজর্জরিত দেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ১১৯তম। এর পরের অবস্থানে থাকা দেশগুলোও আফ্রিকার। আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের পরের অবস্থানেই রয়েছে শাদ ১১৮তম, সিয়েরা লিওন ১১৭তম, মাদাগাস্কার ১১৬তম ও জাম্বিয়া ১১৫তম।

এ বিভাগের আরও সংবাদ