ঢাকা রাত ৮:১০, শুক্রবার, ২রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আত্মনির্ভর কেন্দ্রিক পেশা আইন পেশা

বাংলাদেশে যতগুলো আত্মনির্ভরকেন্দ্রিক পেশা রয়েছে তার মধ্যে আইন পেশা হল সবার পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা। এ পেশা পৃথিবীর সব অভিজাত পেশার অন্যতম। আর এ অভিজাত পেশার মানুষগুলোর নামের আগে ‘বিজ্ঞ’ শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। এ পেশায় এসে আপনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবেন, সমাজে সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করার সুযোগ পাবেন এবং অর্জন করতে পারবেন সামাজিক প্রতিপত্তি, অবস্থান ও আর্থিক সচ্ছলতা। একটা সময় ছিল যখন আইন পেশা শুধুমাত্র সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণীর পেশা ছিল। কালের বিবর্তনে উচ্চবিত্ত শ্রেণীর পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এই সম্মানিত পেশায় এসেছেন। এ পেশার মানুষগুলোই হবেন সমাজের অনুসরণীয় মডেল। তাই যারা আইন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখেন তাদের জন্য আজকের এই আয়োজন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
প্রথমে আপনাকে এইচএসসি পাসের পর যে কোনো সরকারি অথবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদে ভর্তি হতে হবে। এখানে আপনাকে চার বছর মেয়াদি এলএলবি অনার্স সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর ও খুলনাসহ যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ব্যতিক্রম এখানে আপনাকে বিষয়ভিত্তিক আইন অনুষদে পরীক্ষা দিতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
আপনি ইচ্ছা করলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেন। আর বাংলাদেশের প্রায় সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের জন্য এলএলবি অনার্স কোর্স চালু আছে। এখানে পড়তে হলে প্রতিষ্ঠানভেদে খরচ পড়বে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা। এছাড়া আপনি চার বছর মেয়াদি এলএলবি না করেও আইন পেশায় আসতে পারেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
এ জন্য আপনাকে যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজ থেকে অনার্স বা ডিগ্রি পাস করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধীনে যে কোনো ল কলেজে দু’বছর এলএলবি (পাস) কোর্স করতে হবে। এখানে আপনার খরচ পড়বে বিশ থেকে পঁচিশ হাজার টাকা। এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়া যায়। এখানে খরচ পড়বে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।
ব্যারিস্টারি ডিগ্রি নিতে হলে
আইন পেশায় উচ্চতর ডিগ্রি নেয়ার জন্য আপনি বাংলাদেশের স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অথবা আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- সার্ক, কমনওয়েলথ, আইডিবি, ব্রিটিশ কাউন্সিল, আগাঁখান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে স্কলারশিপ নিয়ে লন্ডনে ব্রিটিশ কাউন্সিলে বার-এট-ল অর্থাৎ ব্যারিস্টারি করতে পারবেন। ব্যারিস্টারি করতে হলে আপনাকে লন্ডন বার কাউন্সিলের সনদ নিতে হবে। স্কলারশিপের জন্য আপনাকে জাতীয় অথবা আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ বৃত্তি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। অনেক ব্যক্তিরা সনদ না পেয়েই নামের পিছনে ব্যারিষ্টার ব্যবহার করে জনগনের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছেন।
স্কলারশিপ
আইন পেশায় উচ্চতর ডিগ্রি নেয়ার জন্য আপনি বাংলাদেশের স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অথবা আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন- সার্ক, কমনওয়েলথ, আইডিবি, ব্রিটিশ কাউন্সিল, আগাঁখান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে স্কলারশিপ নিয়ে লন্ডনে ব্রিটিশ কাউন্সিলে বার-এট-ল অর্থাৎ ব্যারিস্টারি করতে পারবেন। ব্যারিস্টারি করতে হলে আপনাকে লন্ডন বার কাউন্সিলের সনদ নিতে হবে। স্কলারশিপের জন্য আপনাকে জাতীয় অথবা আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ বৃত্তি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

বার কাউন্সিল সনদ
আপনাকে এলএলবি অনার্স শেষে বার কাউন্সিল সনদ গ্রহণ করে সিএমএম জজকোর্ট, হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের জন্য আলাদা আলাদা বারের সনদ গ্রহণ করতে হবে। সনদ পাওয়ার জন্য প্রথমে বার কাউন্সিলের ফরমে আবেদন করতে হবে। এরপর তিন ধাপে তথা এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
আইন পেশায় কাজের ক্ষেত্রের ব্যাপকতা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা হওয়ার পর বাংলাদেশে আইন পেশার পরিধি বেড়েছে। আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তো আছেই। এ ছাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগ দিতে পারেন নিম্ন আদালতে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিভিন্ন বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, বহুজাতিক কম্পানি ও এনজিওতে আছে আইন কর্মকর্তা বা প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করার সুযোগ।
বিচারক হতে হলে
এলএলবি অনার্স ও এলএলবি (পাস) কোর্সের পর জেএসসি অর্থাৎ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন ও সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষা দিতে পারবেন।

আইনজীবী হতে চাইলে
আইনজীবী হতে চাইলে এলএলবি বা এলএলবি(অনার্স) অথবা এলএলএম পাশ করেই বাংলাদেশ বার কাউন্সল থেকে সনদপ্রাপ্ত হয়ে যে কোন আইনজীবী সমিতির সদস্য হয়ে সরাসরি আইনজীবী হয়ে যেতে পারেন।
নিম্ন আদালতে প্র্যাকটিস
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে সনদ। একই সঙ্গে হয়ে যাবেন কাক্সিক্ষত বারের সদস্য। একজন আইনজীবী একই সঙ্গে দুটি বারের সদস্য হতে পারেন। যেমন-কোনো আইনজীবী ঢাকা বারের সদস্য, তিনি চাইলে একই সঙ্গে অন্য জেলা বারের সদস্যও হতে পারেন। এ জন্য জেলা বারের সেক্রেটারি বরাবর আবেদন করতে হয়। একজন নবীন আইনজীবী সাধারণত সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেন। পরে সিনিয়র হলে নিজে স্বাধীনভাবে নিম্ন আদালতে প্র্যাকটিস করতে পারেন।
হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস
নিম্ন আদালতে দুই বছর আইনজীবী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করা যায়। হাইকোর্টে ১০ বছরের বেশি প্র্যাকটিস করছেন-এমন এক সিনিয়র আইনজীবীর সঙ্গে শিক্ষানবিশি চুক্তি করতে হয়। তবে বার-অ্যাট-ল বা এলএলএম পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকলে এক বছর পরেই আবেদন করা যায়। এ প্রক্রিয়া অনেকটাই নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষার মতো।
আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস
একজন আইনজীবী হাইকোর্ট বিভাগে পাঁচ বছর প্র্যাকটিসের পর আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার জন্য আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে লাগবে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিসের যোগ্য এই মর্মে প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের সংখ্যাগরিষ্ঠের দেওয়া প্রত্যয়ন। আর এটি পেলেই আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন করেন একজন আইনজীবী।
দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা
সব মামলাই দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার আওতাধীন। নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেটরা সাধারণত দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনা করে থাকেন। সম্পত্তির ওপর স্বত্ব ও দখলের অধিকার নিয়ে যে মামলা হয়, সেটাই দেওয়ানি মামলা। আদালতের ভাষায় এটিকে মোকদ্দমা বলে। সব ধরনের দৃশ্যমান স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি এবং অদৃশ্য সব ধরনের অধিকারসংক্রান্ত মোকদ্দমা আইনজীবীরা জেলা জজ আদালতে পরিচালনা করেন। এ মামলা পরিচালনার জন্য ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি আইন, সাক্ষ্য আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে ভালো দখল থাকতে হয়।
চুরি, ডাকাতি, খুন, মারামারি, ধর্ষণ-অর্থাৎ সংঘটিত অপরাধের বিচার ফৌজদারি মামলার আওতাধীন। এ মামলা আইনজীবীরা ফৌজদারি আদালতে পরিচালনা করে থাকেন। এ মামলা পরিচালনার জন্য ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধি ও সাক্ষ্য আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে হয়।
ইনকাম ট্যাক্স আইনজীবী
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রবিউল ইসলাম জানান, আইনজীবী অন্তর্ভুক্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হবে। আবেদন করতে হবে নির্ধারিত ফরমে। যারা আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু অ্যাডভোকেট না, তারাও চাইলে আয়কর আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ট্যাক্স বারের সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাণিজ্য বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরাও আয়কর আইনজীবী হওয়ার জন্য এনবিআরে আবেদন করতে পারেন। একই সঙ্গে তাদের ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হয়। আয়কর আইনজীবীরা আয়কর, সম্পদ, আমদানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক ইত্যাদি বিষয়ে মামলা পরিচালনা করেন। তাদের আয়কর অধ্যাদেশ, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন, সম্পদ বিবরণী-এসব বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখতে হয়।
করপোরেট ল’ প্র্যাকটিস অ্যান্ড লিটিগেশন
যিনি করপোরেশন আইনে বিশেষ জ্ঞান রাখেন, তিনি করপোরেট আইনজীবী। করপোরেট খাতে আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্র দিন দিন বাড়ছে। করপোরেট আইনজীবী হতে হলে কন্ট্রাক্ট ল, কম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স ল, অ্যাকাউন্টিং, সিকিউরিটি ল, দেউলিয়া আইন, মেধাস্বত্ব আইন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন জানান, করপোরেট প্র্যাকটিস হলো যেকোনো বিষয়ে আইনগত মতামত, দলিলপত্র ভেটিং, কম্পানি, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকার ডকুমেন্টেশন প্রস্তুত, করপোরেট অফিসের ব্যবসায়িক লেনদেনের বৈধতা নিশ্চিতকরণ, করপোরেশনগুলোকে তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে লিগ্যাল অ্যাডভাইজ দেওয়া। লিটিগেশন হলো আদালতে মামলা লড়া। আইন বিষয়ে পড়েও বা অ্যাডভোকেট হয়েও কোর্টে প্র্যাকটিস করতে না চাইলে বিভিন্ন ল ফার্মে কাজের সুযোগ পেতে পারেন। ল ফার্মগুলোতে বিভিন্ন কম্পানির ডকুমেন্টেশন প্রস্তুত, লিগ্যাল অ্যাডভাইস দেওয়া, ফাইল তৈরি, মামলার ড্রাফট তৈরির কাজ করতে পারেন।

received_961219230683090
সফল আইনজীবি হতে হলে
আইনজীবীদের আয়ের বিষয়টি নির্ভর করে অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত দক্ষতা, সামাজিক যোগাযোগ, মামলার ধরন ও মক্কেলের ওপর। জুুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী জজ পদে নিয়োগ পেলে সম্মান, নানা সুযোগ-সুবিধাসহ মিলবে মোটা অঙ্কের বেতন। আইন পেশায় সফল হতে হলে ধৈর্য, অধ্যবসায়, অভিজ্ঞ সিনিয়রের সান্নিধ্য, আইন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখায় দখল থাকতে হবে। বাড়াতে হবে বাগ্মিতা, চিন্তার প্রখরতা, সামাজিক যোগাযোগ।
ব্যারিস্টার অ্যাট ল-র সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বার অ্যাট ল। একজন ব্যারিস্টার হিসেবে স্বীকৃত হওয়ার জন্য ৯ মাসের একটি বার প্রফেশনাল ট্রেনিং কোর্স (বিপিটিসি) করতে হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইনজীবীদের বলা হয় অ্যাডভোকেট। আমেরিকাতে আইনজীবীকে বলা হয় অ্যাটর্নি। তেমনি করে অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীকে বলা হয় ব্যারিস্টার। এভাবে বিভিন্ন দেশে আইনজীবীকে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। আমাদের ঔপনিবেশক দেশ যুক্তরাজ্য হবার কারণে এবং স্বাধীন বাংলাদেশ সত্ত্বেও ঔপনিবেশক মন স্বাধীন না হবার কারণে বাংলাদেশে ব্যারিস্টারকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হয়।
বাংলাদেশ কিংবা বাংলাদেশের মানুষের দক্ষতা ও মেধার কমতি কখনোই ছিল না ও নেইও।
একটু সঠিক নির্দেশনা এবং সুযোগ পেলে বাংলাদেশের যেকোনো তরুণ তরুণী সারা বিশ্বেই অনন্য নজির তৈরি করবার সম্ভাবনা রাখেন।
আমরাও সে কথাকে আজকে বিশ্বাস করি। যুক্তরাজ্যের এই মেধাভিত্তিক পেশার ক্ষেত্রে সলিসিটারদের উত্তরোত্তর সাফল্য কেবল আজ কামনাই নয় বরং তারা এই পর্যন্ত যা করেছেন বাংলাদেশি কমিউনিটির সার্বিক উন্নয়কল্পে সেটি এই ব্রিটেনের অন্য সকল কমিউনিটির এমন পেশাভিত্তিক ব্যক্তিদের বা সংগঠনের জন্য আদর্শ হবে, এই আমাদের প্রত্যাশা।
সুতরাং কথায় বলা যায় যে, অন্যান্য পেশার চেয়ে আইন পেশা অনেক লাভজনক ও সম্মানজনক। তাই আইন পেশায়ই গড়ুন আপনার স্বপ্নের সফল ক্যারিয়ার। যারা আইন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখেন তাদের সবার জন্য শুভ কামনা।

এ বিভাগের আরও সংবাদ