১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রাগ নিয়ন্ত্রণে ৬ উপায়

ভয়ানক রাগে মুখের উপর বলে দেন যা মনে আসে তা-ই। হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হতেও সময় লাগে না। এ সব বিষয় বদরাগী মানুষের স্বাভাবিক লক্ষণ। কিন্তু রাগেরও নানা প্রকতারভেদ আছে! আচমকা রেগে গিয়ে সহজেই রাগ পড়ে গিয়ে আফসোস করেন অনেকে। কেউ বা ভিতরে ভিতরে গজরান, কী করবেন ভেবে পান না। রাগ সামলানোর উপায় জানেন? হয়তো তা জানেন না বলেই এত সহজে রাগ পেয়ে বসে!

আপনি বা আপনার কোনও প্রিয়জন কি এমন রাগের প্রকোপে প্রায়ই পড়েন? রাগের প্রভাবে সম্পর্ক নষ্ট থেকে শুরু করে প্রেশার-সুগার বৃদ্ধি- কোনওটাই কিন্তু অস্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকরাও বলেছেন রাগ না সামলালে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে প্রায় কয়েক গুণ!

তবে চিন্তা নেই। রাগ হলে কী করবেন, রাগ ঠেকাতে কী করবেন, মনোবিদদের মতে এ সবেরই রাস্তা আছে৷ সে সব মেনে চললে আপনার সমস্যারও সমাধান সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. প্রথমেই মুখে কুলুপ। বা কম কথার রাস্তায় হাঁটুন। প্রথম যে কথাটা মাথায় আসে সেটা কিছুতেই বলবেন না। বলতেই যদি হয়, ভাল করে ভেবে দেখুন কোন কথা বললে সবচেয়ে কম ক্ষতি।

২. রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত নেবেন না বা প্রতিজ্ঞা করবেন না। অশান্তির জায়গা থেকে সরে যেতে পারলে সবচেয়ে ভাল।

৩. জোরে জোরে হাঁটলে, ব্যায়াম করলে, বন্ধু-বান্ধবকে মনের কথা খুলে বললে বা কারও সঙ্গে অন্য বিষয়ে কথা শুরু করলে ১০-১৫ মিনিটে রাগের প্রথম ধাক্কা কাটে।

৪. এ সব না করা গেলে হাতিয়ার সুইচ অন, সুইচ অফ এবং ভিজ্যুয়াল ইমেজারি। মন থেকে ঠিক করুন, ঘটনাটা নিয়ে ভাববেন না। অর্থাৎ বিষয়টা সুইচ অফ করুন। এবার প্রিয় কোনও বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করুন। এতটাই গভীরভাবে যাতে ঘটনাটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে৷ একে বলে ভিজ্যুয়াল ইমেজারি।

৫. রাগের প্রথম ধাক্কা কাটল, কিন্তু ঘটনাটা মুছে ফেলতে পারছেন না, এ রকম হলে একটাই রাস্তা, ক্ষমা করে দিন৷ মনে রাখবেন, ক্ষমা করা মানে কিন্তু পরাজয় স্বীকার করা নয়৷ বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে নিজের শরীর এবং মনকে নানা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানো। তাছাড়া রাগ সত্ত্বেও শান্তভাবে সরে যাওয়ার অর্থ, আপনার মানসিক জোর আর পাঁচজনের চেয়ে বেশি৷

৬. রাগের কারণ যে মানুষ প্রয়োজনে তাকে সূক্ষ্মভাবে অবহেলা করুন। জানবেন, অবহেলার আঘাত সবচেয়ে বেশি।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নবীগঞ্জে বীমা কোম্পানির গ্রাহক সংগ্রহকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

রাগ নিয়ন্ত্রণে ৬ উপায়

প্রকাশিত : ১১:১০:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

ভয়ানক রাগে মুখের উপর বলে দেন যা মনে আসে তা-ই। হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হতেও সময় লাগে না। এ সব বিষয় বদরাগী মানুষের স্বাভাবিক লক্ষণ। কিন্তু রাগেরও নানা প্রকতারভেদ আছে! আচমকা রেগে গিয়ে সহজেই রাগ পড়ে গিয়ে আফসোস করেন অনেকে। কেউ বা ভিতরে ভিতরে গজরান, কী করবেন ভেবে পান না। রাগ সামলানোর উপায় জানেন? হয়তো তা জানেন না বলেই এত সহজে রাগ পেয়ে বসে!

আপনি বা আপনার কোনও প্রিয়জন কি এমন রাগের প্রকোপে প্রায়ই পড়েন? রাগের প্রভাবে সম্পর্ক নষ্ট থেকে শুরু করে প্রেশার-সুগার বৃদ্ধি- কোনওটাই কিন্তু অস্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকরাও বলেছেন রাগ না সামলালে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে প্রায় কয়েক গুণ!

তবে চিন্তা নেই। রাগ হলে কী করবেন, রাগ ঠেকাতে কী করবেন, মনোবিদদের মতে এ সবেরই রাস্তা আছে৷ সে সব মেনে চললে আপনার সমস্যারও সমাধান সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. প্রথমেই মুখে কুলুপ। বা কম কথার রাস্তায় হাঁটুন। প্রথম যে কথাটা মাথায় আসে সেটা কিছুতেই বলবেন না। বলতেই যদি হয়, ভাল করে ভেবে দেখুন কোন কথা বললে সবচেয়ে কম ক্ষতি।

২. রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত নেবেন না বা প্রতিজ্ঞা করবেন না। অশান্তির জায়গা থেকে সরে যেতে পারলে সবচেয়ে ভাল।

৩. জোরে জোরে হাঁটলে, ব্যায়াম করলে, বন্ধু-বান্ধবকে মনের কথা খুলে বললে বা কারও সঙ্গে অন্য বিষয়ে কথা শুরু করলে ১০-১৫ মিনিটে রাগের প্রথম ধাক্কা কাটে।

৪. এ সব না করা গেলে হাতিয়ার সুইচ অন, সুইচ অফ এবং ভিজ্যুয়াল ইমেজারি। মন থেকে ঠিক করুন, ঘটনাটা নিয়ে ভাববেন না। অর্থাৎ বিষয়টা সুইচ অফ করুন। এবার প্রিয় কোনও বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করুন। এতটাই গভীরভাবে যাতে ঘটনাটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে৷ একে বলে ভিজ্যুয়াল ইমেজারি।

৫. রাগের প্রথম ধাক্কা কাটল, কিন্তু ঘটনাটা মুছে ফেলতে পারছেন না, এ রকম হলে একটাই রাস্তা, ক্ষমা করে দিন৷ মনে রাখবেন, ক্ষমা করা মানে কিন্তু পরাজয় স্বীকার করা নয়৷ বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে নিজের শরীর এবং মনকে নানা ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানো। তাছাড়া রাগ সত্ত্বেও শান্তভাবে সরে যাওয়ার অর্থ, আপনার মানসিক জোর আর পাঁচজনের চেয়ে বেশি৷

৬. রাগের কারণ যে মানুষ প্রয়োজনে তাকে সূক্ষ্মভাবে অবহেলা করুন। জানবেন, অবহেলার আঘাত সবচেয়ে বেশি।

বিবি/জেজে