১০:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুর ২ আসনে রুহুল- জালালের লড়াই

সব জল্পনা-কল্পনা শেষে চাঁদপুর-২ আসনে বড় দুই দলের প্রার্থীতা চূড়ান্ত হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে কর্মীদের মাঝে। গত কয়েকদিন যাবৎ দুই দলে দুইজন করে দলীয় প্রার্থী থাকায় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুলকে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন।

আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন দশজন প্রার্থী। এরমধ্যে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) এমপি ও অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুলকে। আর বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন ৮ জন। প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন ও প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী নূরুল হুদার পুত্র তানভীর হুদা।

সবশেষে আওয়ামী লীগ থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে ও নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল এবং বিএনপি থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে ও ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন। শুক্রবার এই দুই প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা বরাবর চিঠি ইস্যু করে দলগুলো। অবশেষে এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে রুহুল ও বিএনপি থেকে জালালই থাকছে দলীয় প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

চাঁদপুর ২ আসনে রুহুল- জালালের লড়াই

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৮

সব জল্পনা-কল্পনা শেষে চাঁদপুর-২ আসনে বড় দুই দলের প্রার্থীতা চূড়ান্ত হয়েছে। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে কর্মীদের মাঝে। গত কয়েকদিন যাবৎ দুই দলে দুইজন করে দলীয় প্রার্থী থাকায় নেতা-কর্মীদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুলকে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন।

আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন দশজন প্রার্থী। এরমধ্যে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম) এমপি ও অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুলকে। আর বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন ৮ জন। প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন ও প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী নূরুল হুদার পুত্র তানভীর হুদা।

সবশেষে আওয়ামী লীগ থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে ও নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন অ্যাড. নূরুল আমিন রুহুল এবং বিএনপি থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে ও ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাচ্ছেন আলহাজ্ব ড. জালাল উদ্দিন। শুক্রবার এই দুই প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা বরাবর চিঠি ইস্যু করে দলগুলো। অবশেষে এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে রুহুল ও বিএনপি থেকে জালালই থাকছে দলীয় প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার পর থেকে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন।

বিবি/ ইএম