০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না

পর্যটকদের নানা অযাচিত কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে-সম্প্রতি এমন অভিযোগ এনে সেখানে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করে একটি ঘোষণা দেয়া হয়।

ঘোষণায় বলা হয়, আগামী ১ মার্চ মাস থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা রাতযাপন করতে পারবেন না। তবে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। সেন্টমার্টিনে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন ও একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদানের বিষয়টি বহাল থাকছে।

জানা গেছে, কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন হোটেল-মোটেল বিনিয়োগকারীদের বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে বসবাসকারীদের কর্মসংস্থান এবং সেখানে ব্যবসায় বিনিয়োগকারীদের পুনর্বাসনের বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করা না হলেও সেটা সীমিত করা হবে। কারণ দ্বীপটির স্থানীয়দের কর্মসংস্থান মূলত বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের ঘিরেই চলে আসছে।

এ ছাড়া সেখানে অনেক হোটেল-মোটেলে বিনিয়োগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। পর্যটকদের রাতযাপন হঠাৎ বন্ধ করে দিলে তাদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এ কারণে বিকল্প ব্যবস্থা চিন্তা করা হচ্ছে। দ্বীপসংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসনের পরই রাতযাপন বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে হবে এ রেজিস্ট্রেশন। এ জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করা হবে। সেন্টমার্টিনে কারা যাচ্ছে তার তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া একই পর্যটক বারবার দ্বীপটিতে যেতে পারবেন না।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

সেন্টমার্টিনে রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ হচ্ছে না

প্রকাশিত : ১০:৩৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮

পর্যটকদের নানা অযাচিত কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে-সম্প্রতি এমন অভিযোগ এনে সেখানে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করে একটি ঘোষণা দেয়া হয়।

ঘোষণায় বলা হয়, আগামী ১ মার্চ মাস থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকরা রাতযাপন করতে পারবেন না। তবে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। সেন্টমার্টিনে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন ও একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদানের বিষয়টি বহাল থাকছে।

জানা গেছে, কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন হোটেল-মোটেল বিনিয়োগকারীদের বিষয়টি বিবেচনা করে সরকার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে বসবাসকারীদের কর্মসংস্থান এবং সেখানে ব্যবসায় বিনিয়োগকারীদের পুনর্বাসনের বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের রাতযাপন নিষিদ্ধ করা না হলেও সেটা সীমিত করা হবে। কারণ দ্বীপটির স্থানীয়দের কর্মসংস্থান মূলত বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের ঘিরেই চলে আসছে।

এ ছাড়া সেখানে অনেক হোটেল-মোটেলে বিনিয়োগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। পর্যটকদের রাতযাপন হঠাৎ বন্ধ করে দিলে তাদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এ কারণে বিকল্প ব্যবস্থা চিন্তা করা হচ্ছে। দ্বীপসংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসনের পরই রাতযাপন বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পর্যটকরা সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে আগে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে হবে এ রেজিস্ট্রেশন। এ জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করা হবে। সেন্টমার্টিনে কারা যাচ্ছে তার তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া একই পর্যটক বারবার দ্বীপটিতে যেতে পারবেন না।

বিবি/জেজে