০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিক্ষিকার মুক্তি দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছে ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের ১ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনাবী বলে, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি এই ঘটনার সঙ্গে তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু কোনও নিরাপরাধ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যেন হেনস্থা না হয়।

আমরা বিশ্বাস করি হাসনা হেনা আপার এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। আমরা হাসনা হেনা আপার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাবো। তাকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।

আরেক শিক্ষার্থী বলে, আমরা চাই অরিত্রী অধিকারীর মৃত্যুর ঘটনায় দোষি ব্যক্তিরা শাস্তির মুখোমুখি হোক। কিন্তু একজন নিরপরাধ শিক্ষক কারাগারে থাকতে পারেন না। তাই তার মুক্তির দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে শান্তিনগরের নিজ বাসা থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর (১৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, অরিত্রীর বিরুদ্ধে ফাইনাল পরীক্ষায় নকলের অভিযোগ তুলে তার বাবাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

পরে অরিত্রীর বাবাকে জানানো হয় তার মেয়েকে টিসি দেওয়া হবে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল অরিত্রীর সামনে তার বাবাকে অপমান করেন। এ ঘটনার পর সে আত্মহত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানী পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তিন নম্বর আসামি হাসনা হেনা। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

শিক্ষিকার মুক্তি দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ১১:৪৩:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছে ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের ১ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনাবী বলে, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি এই ঘটনার সঙ্গে তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু কোনও নিরাপরাধ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যেন হেনস্থা না হয়।

আমরা বিশ্বাস করি হাসনা হেনা আপার এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। আমরা হাসনা হেনা আপার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাবো। তাকে দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।

আরেক শিক্ষার্থী বলে, আমরা চাই অরিত্রী অধিকারীর মৃত্যুর ঘটনায় দোষি ব্যক্তিরা শাস্তির মুখোমুখি হোক। কিন্তু একজন নিরপরাধ শিক্ষক কারাগারে থাকতে পারেন না। তাই তার মুক্তির দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ প্রসঙ্গত, সোমবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে শান্তিনগরের নিজ বাসা থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর (১৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, অরিত্রীর বিরুদ্ধে ফাইনাল পরীক্ষায় নকলের অভিযোগ তুলে তার বাবাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

পরে অরিত্রীর বাবাকে জানানো হয় তার মেয়েকে টিসি দেওয়া হবে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল অরিত্রীর সামনে তার বাবাকে অপমান করেন। এ ঘটনার পর সে আত্মহত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানী পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার তিন নম্বর আসামি হাসনা হেনা। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিবি/জেজে