১১:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএন‌পি থে‌কে পদত্যাগ করলেন মনির খান

বিএনপির সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সংগীতশিল্পী মনির খান। তিনি বলেছেন, ‘আমি রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করবো। মাঝখানে যে কটা দিন, যে কটা বছর রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থেকেছি, এটি আমার জীবনে অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। আমার ভুল ছিল।’ রবিবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ‌কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মনির খান বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের একজন জাতীয় সংগীতশিল্পী। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) মহাসচিব হিসেবে দলে যোগদান করি।

পরবর্তীতে আমার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাকে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা’র (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির সহ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সংগীত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আমি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করায় খালেদা জিয়া আমাকে আমার নির্বাচনি এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেন। আমি সবসময় এলাকার সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের পাশে থেকে আমার নির্বাচনি এলাকার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছি। আজ বিভিন্ন অজুহাতে আমার এলাকার জনগণকে এবং আমাকে জাতীয় নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। এ অবস্থায় আমার নির্বাচনি এলাকার জনগণের প্রাণের দাবির সঙ্গে একাকার হয়ে আমি বিএনপির সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি জনগণের দাবিতে, আমার ভক্তদের দাবিতে রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করবো। মাঝখানে যে কটা দিন, যে কটা বছর রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থেকেছি, এটি আমার জীবনে অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। আমার ভুল ছিল। এই ভুলের জন্য আমি বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’

মনির খান আরও বলেন, ‘আমি অতীতের মতো আগামীতেও সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার এলাকার জনগণ ও দেশবাসীর পাশে থাকবো। আমি আজ থেকে কোনও দলের অন্তর্ভুক্ত নয়, একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে আগের মতো সংগীত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব। আমি গানের মানুষ, প্রাণ খুলে গান গাইতে চাই।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি আর কখনই দলে ফিরবো না। আমি আমার নিজ জীবন এবং সংগীত চর্চা নিয়েই থাকবো।’

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :

বিএন‌পি থে‌কে পদত্যাগ করলেন মনির খান

প্রকাশিত : ০৫:৫৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৮

বিএনপির সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সংগীতশিল্পী মনির খান। তিনি বলেছেন, ‘আমি রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করবো। মাঝখানে যে কটা দিন, যে কটা বছর রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থেকেছি, এটি আমার জীবনে অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। আমার ভুল ছিল।’ রবিবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ‌কনফারেন্স লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

মনির খান বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের একজন জাতীয় সংগীতশিল্পী। শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) মহাসচিব হিসেবে দলে যোগদান করি।

পরবর্তীতে আমার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাকে জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা’র (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির সহ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। সংগীত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আমি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করায় খালেদা জিয়া আমাকে আমার নির্বাচনি এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেন। আমি সবসময় এলাকার সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনসাধারণের পাশে থেকে আমার নির্বাচনি এলাকার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছি। আজ বিভিন্ন অজুহাতে আমার এলাকার জনগণকে এবং আমাকে জাতীয় নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। এ অবস্থায় আমার নির্বাচনি এলাকার জনগণের প্রাণের দাবির সঙ্গে একাকার হয়ে আমি বিএনপির সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি জনগণের দাবিতে, আমার ভক্তদের দাবিতে রাজনীতির মাঠ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে আবার সংগীত চর্চা শুরু করবো। মাঝখানে যে কটা দিন, যে কটা বছর রাজনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থেকেছি, এটি আমার জীবনে অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। আমার ভুল ছিল। এই ভুলের জন্য আমি বাংলাদেশের সকল মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’

মনির খান আরও বলেন, ‘আমি অতীতের মতো আগামীতেও সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার এলাকার জনগণ ও দেশবাসীর পাশে থাকবো। আমি আজ থেকে কোনও দলের অন্তর্ভুক্ত নয়, একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে আগের মতো সংগীত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাব। আমি গানের মানুষ, প্রাণ খুলে গান গাইতে চাই।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি আর কখনই দলে ফিরবো না। আমি আমার নিজ জীবন এবং সংগীত চর্চা নিয়েই থাকবো।’

বিবি/ ইএম