০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র থাকছে অস্ত্রধারী পুলিশ

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ভোটের আগে, ভোটগ্রহণের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ ছকও সম্পন্ন করেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থাগুলো।

দেশজুড়ে সকল ভোটকেন্দ্রের তালিকা করে পর্যালোচনাও সম্পন্ন করেছে পুলিশ। ৬৪ ভাগ ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পুলিশ। সংস্থাটির তালিকা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোকে ‘সমতল এলাকা’ ও ‘বিশেষ এলাকা’ হিসেবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দুই এলাকাতেই আলাদাভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ’ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, ৩০ ডিসেম্বর ভোটাররা সারাদেশে ৪০ হাজার ২৭৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাকি ১৪ হাজার ৪৪৬টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ হিসেবে মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৬৪ ভাগ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি প্রায় ৩৬ ভাগ সাধারণ কেন্দ্র।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, যেসব ভোটকেন্দ্রের কাছাকাছি প্রার্থীর বাড়ি এবং যেসব কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে সেসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ এলাকার মধ্যে পাহাড়ি এলাকা, চরাঞ্চল ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে এমন কেন্দ্রের তালিকাও করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রের পাহারায় পুলিশ ও আনসারের মোট ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ৩-৫ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১১ জন ও গ্রাম পুলিশের একজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৭ জন ও অস্ত্রসহ ৪-৬ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ একজন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের দু-একজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ তিন-চারজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

অন্যদিকে বিশেষ এলাকার মধ্যে পার্বত্য এলাকা, হাওর, দ্বীপাঞ্চলকে চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ দুজন, আনসার ১২ জন (অস্ত্রছাড়া) ও গ্রাম পুলিশের ১-২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪-৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

পুলিশের তালিকা অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২ হাজার ১১২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৬৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১০টি গুরুত্বপূর্ণ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৬টির মধ্যে ১৬৮টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৭টির মধ্যে ১২৬টি গুরুত্বপূর্ণ।

সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার ২৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২০২টি, রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৮টি গুরুত্বপূর্ণ এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ৪২৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৮টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা রেঞ্জের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৩৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪ হাজার ৭৪টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ৫ হাজার ৭৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮১টি গুরুত্বপূর্ণ।

রাজশাহী রেঞ্জের ৪ হাজার ৮৯৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮০৭টি গুরুত্বপূর্ণ, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ২ হাজার ৭১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৭৫৩টি গুরুত্বপূর্ণ, রংপুর রেঞ্জের ৪ হাজার ১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৯০৭টি গুরুত্বপূর্ণ।

খুলনা রেঞ্জের ৪ হাজার ৫২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮৪৯টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল রেঞ্জের ২ হাজার ৩৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৬৯৭টিই গুরুত্বপূর্ণ, সিলেট রেঞ্জের ২ হাজার ১৮৩টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২৯৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশের ২ লাখ ১০ হাজারের ফোর্সের মধ্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক কম-বেশি ১ লাখ ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং পূর্ণশক্তি নিয়ে মাঠে থাকার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

এদিকে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে ইসি। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিদ্যমান রাখতে ইতোমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সরকারি কর্মচারীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে শাটডাউন ও কর্মবিরতি

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র থাকছে অস্ত্রধারী পুলিশ

প্রকাশিত : ১১:৪৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৮

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। ভোটের আগে, ভোটগ্রহণের দিন এবং নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ ছকও সম্পন্ন করেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থাগুলো।

দেশজুড়ে সকল ভোটকেন্দ্রের তালিকা করে পর্যালোচনাও সম্পন্ন করেছে পুলিশ। ৬৪ ভাগ ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বাড়তি অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পুলিশ। সংস্থাটির তালিকা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোকে ‘সমতল এলাকা’ ও ‘বিশেষ এলাকা’ হিসেবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দুই এলাকাতেই আলাদাভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ’ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, ৩০ ডিসেম্বর ভোটাররা সারাদেশে ৪০ হাজার ২৭৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাকি ১৪ হাজার ৪৪৬টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ হিসেবে মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৬৪ ভাগ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি প্রায় ৩৬ ভাগ সাধারণ কেন্দ্র।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, যেসব ভোটকেন্দ্রের কাছাকাছি প্রার্থীর বাড়ি এবং যেসব কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে সেসব কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ এলাকার মধ্যে পাহাড়ি এলাকা, চরাঞ্চল ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে এমন কেন্দ্রের তালিকাও করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রের পাহারায় পুলিশ ও আনসারের মোট ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ৩-৫ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১১ জন ও গ্রাম পুলিশের একজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৭ জন ও অস্ত্রসহ ৪-৬ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ একজন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের দু-একজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ তিন-চারজন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

অন্যদিকে বিশেষ এলাকার মধ্যে পার্বত্য এলাকা, হাওর, দ্বীপাঞ্চলকে চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ দুজন, আনসার ১২ জন (অস্ত্রছাড়া) ও গ্রাম পুলিশের ১-২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪-৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন।

পুলিশের তালিকা অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২ হাজার ১১২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৬৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১০টি গুরুত্বপূর্ণ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৬টির মধ্যে ১৬৮টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৭টির মধ্যে ১২৬টি গুরুত্বপূর্ণ।

সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার ২৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২০২টি, রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৮টি গুরুত্বপূর্ণ এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ৪২৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৮টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা রেঞ্জের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৩৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪ হাজার ৭৪টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ৫ হাজার ৭৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮১টি গুরুত্বপূর্ণ।

রাজশাহী রেঞ্জের ৪ হাজার ৮৯৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮০৭টি গুরুত্বপূর্ণ, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ২ হাজার ৭১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৭৫৩টি গুরুত্বপূর্ণ, রংপুর রেঞ্জের ৪ হাজার ১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৯০৭টি গুরুত্বপূর্ণ।

খুলনা রেঞ্জের ৪ হাজার ৫২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮৪৯টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল রেঞ্জের ২ হাজার ৩৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৬৯৭টিই গুরুত্বপূর্ণ, সিলেট রেঞ্জের ২ হাজার ১৮৩টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২৯৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পুলিশের ২ লাখ ১০ হাজারের ফোর্সের মধ্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক কম-বেশি ১ লাখ ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং পূর্ণশক্তি নিয়ে মাঠে থাকার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

এদিকে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে ইসি। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন।

এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিদ্যমান রাখতে ইতোমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

বিবি/জেজে