০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

অবসরে যাওয়াটাই আমার জন্য বিরল সম্মান: অর্থমন্ত্রী

নিজের একান্ত ইচ্ছাতেই অবসরে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এ প্রসঙ্গে তিনি এটিকে নিজের জন্য বিরল সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয় বলেও অভিহিত করেছেন।

সোমবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ৮৫ বছর বয়সেও বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছি। গত ১০ বছরে বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ে আসীন হয়েছে। এই মেয়াদে সুচারুভাবে সরকার পরিচালনায় অবদান রাখার চেষ্টা করেছি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে একসময় বাংলাদেশকে তেমন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হত না। এখনকার বাংলাদেশ আর সে অবস্থানে নেই। সবার সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ যে অবস্থানে যাবে এবং বাংলাদেশের যে অগ্রগতি সূচিত হবে, সেখান থেকে নামিয়ে আনার সাধ্য কারোর হবে না।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন থেকে অবসর সময়ে বই পড়ব ও লেখালেখি করব। আমার কালেকশানে ৫০ হাজার বই আছে। এগুলো সব পড়া হয়নি। চিন্তা করছি, অবসরে গিয়ে এগুলো কিছু কিছু পড়তে শুরু করব। আরেকটি কাজ আমি করব, সেটা হচ্ছে এই পড়ার ওপরে আমি লেখালেখিও চালিয়ে যাব।

বিবি/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশি চিকিৎসকের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: স্কোলিওসিস চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত।

অবসরে যাওয়াটাই আমার জন্য বিরল সম্মান: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৯

নিজের একান্ত ইচ্ছাতেই অবসরে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এ প্রসঙ্গে তিনি এটিকে নিজের জন্য বিরল সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয় বলেও অভিহিত করেছেন।

সোমবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ৮৫ বছর বয়সেও বাংলাদেশের মতো একটি রাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছি। গত ১০ বছরে বাংলাদেশ একটি উচ্চ পর্যায়ে আসীন হয়েছে। এই মেয়াদে সুচারুভাবে সরকার পরিচালনায় অবদান রাখার চেষ্টা করেছি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বৈশ্বিক পর্যায়ে একসময় বাংলাদেশকে তেমন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হত না। এখনকার বাংলাদেশ আর সে অবস্থানে নেই। সবার সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ যে অবস্থানে যাবে এবং বাংলাদেশের যে অগ্রগতি সূচিত হবে, সেখান থেকে নামিয়ে আনার সাধ্য কারোর হবে না।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন থেকে অবসর সময়ে বই পড়ব ও লেখালেখি করব। আমার কালেকশানে ৫০ হাজার বই আছে। এগুলো সব পড়া হয়নি। চিন্তা করছি, অবসরে গিয়ে এগুলো কিছু কিছু পড়তে শুরু করব। আরেকটি কাজ আমি করব, সেটা হচ্ছে এই পড়ার ওপরে আমি লেখালেখিও চালিয়ে যাব।

বিবি/এসআর