০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই

প্রবীণ সাংবাদিক, অবিভক্ত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও মহাসচিব আমানুল্লাহ কবীর (৭২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতরাত ১২ টা ৫০ মিনিটে দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে শোভন কবীর।

তিনি ডায়াবেটিস ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছু দিন আগে শ্যামলীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল আমানুল্লাহ কবীরকে। পরে সেখান থেকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন সাংবাদিকদের রুটি-রুজি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আমানুল্লাহ কবীর। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে এর আগে দায়িত্ব পালন করেন। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি বাংলা দৈনিক আমার দেশ এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।

ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। এর আগে এসএম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সাংবাদিক নেতা আমানুল্লাহ কবীর অবিভক্ত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতার সঙ্গে লেখালেখিতেও সক্রিয় ছিলেন অগ্রজ এই সাংবাদিক।

আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের রূপকার: ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজকে ঘিরে গণজোয়ার

প্রবীণ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর আর নেই

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯

প্রবীণ সাংবাদিক, অবিভক্ত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও মহাসচিব আমানুল্লাহ কবীর (৭২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতরাত ১২ টা ৫০ মিনিটে দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে শোভন কবীর।

তিনি ডায়াবেটিস ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছু দিন আগে শ্যামলীর ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল আমানুল্লাহ কবীরকে। পরে সেখান থেকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৪ জানুয়ারি জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন সাংবাদিকদের রুটি-রুজি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আমানুল্লাহ কবীর। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে এর আগে দায়িত্ব পালন করেন। সাড়ে চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি বাংলা দৈনিক আমার দেশ এবং ইংরেজি দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের (বর্তমানে বিলুপ্ত) প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।

ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। এর আগে এসএম আলীর সম্পাদনায় প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শুরুর দিকের বার্তা সম্পাদক ছিলেন তিনি। সাংবাদিক নেতা আমানুল্লাহ কবীর অবিভক্ত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি ছিলেন। সাংবাদিকতার সঙ্গে লেখালেখিতেও সক্রিয় ছিলেন অগ্রজ এই সাংবাদিক।

আমানুল্লাহ কবীর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিবি/জেজে