০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাঙামাটিতে নাট্য উৎসবে জমকালো অনুষ্ঠান

১৯৯৭ সালে সম্পাদিত পার্বত্য চুক্তির শর্ত মোতাবেক পাহাড়ি জাতিসত্ত্বাগুলোর সাংস্কৃতিক বিকাশ ও উন্নয়নে সরকারের সহায়তা চায় তিন পার্বত্য জেলার সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনগুলো। তারা মনে করেন, সরকারের যথাযথ সহযোগিতা পেলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে। তা ছাড়া পড়ালেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গণে জড়িত থাকলে অপরাধমূলক কাজে জড়াবে না যুবসমাজ। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তরুণ-তরুণীদের উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করা গেলে তাদেরকে মাদক সেবন, সস্ত্রাস, অসামাজিক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে নিবৃত রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন, সাংস্কৃতিক ও নাট্যকর্মীরা। রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটে আয়োজিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাট্য উৎসব চলাকালে এসব মন্তব্য করেন তারা।

গত ১৯ তারিখ শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি তিনদিনব্যাপী নাট্য উৎসব শেষ হয়েছে । চাকমা, তনচঙ্গ্যা ও ত্রিপুরা ভাষায় তিনটি নাটক পরিবেশিত হয় নিজস্ব মাতৃভাষায়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় পরিবেশিত মঞ্চ নাটক ঘিরে পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনোদনের ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি রাঙামাটির স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন হিলর ভালেদী ও অঙ্গ সংগঠন হিলর প্রোডাকশন এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৬ই জানুয়ারীতে ইন্সটিটিউটের অডিটরিয়ামে মঞ্চায়িত হয় চাকমা নাটক ‘ফাজা’। ফাজার বাংলা অর্থ আচরণ। সামাজিক কাহিনী ঘিরে তৈরি নাচে-গানে ভরপুর ‘ফাজা’ নাটকটি উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। পাশাপাশি ইন্টারনেটে ছাড়ায় ইউটিউব চ্যানেলনহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া হলে হাজার হাজার দর্শক উপভোগ করেছেন ফাজা নাটকটি। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেন, হিলর ভালেদী ও প্রোডাকশনের উপদেষ্টা ও দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি সুশীল প্রসাদ চাকমা। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, ফিল্ম নির্মাতা,সাংবাদিক সুপ্রিয় চাকমা শুভ, নিকেল চাকমা, পারমিতা চাকমা, সুহিতা দেওয়ান, প্রিয়াঙ্কা চাকমা, রোমিকা চাকমা, নমিতা চাকমা, প্রসেনজিৎ চাকমা, নিপায়ন চাকমা, শ্যামল চাকমা, জ্যাকশন চাকমা, সুমন চাকমা ও ওয়াইপ্রু চাই মারমাসহ নাট্যকার নিজেই। নাটকটির গান দুটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন- নবীন সঙ্গীতশিল্পী প্রিয়াঙ্কা চাকমা ও নিরু চাকমা।

ফাজা নাটকের মঞ্চায়নের পরপরই শনিবার থেকে শুরু হয় তিনদিনব্যাপী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মঞ্চ নাট্য উৎসব। ইন্সটিটিউটের অডিটরিয়ামে এ নাট্য উৎসবের আয়োজন করেছে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট।

 

১৯ জানুয়ারিতে পরিবেশিত হয় রাঙামাটির জুমফুল থিয়েথারের চাকমা নাটক ‘আদেই ধন’। তার পরের দিনে মঞ্চস্থ হয় খাগড়াছড়ির য়ামুক নাট্যগোষ্ঠীর ত্রিপুরা নাটক ‘কিয়ক্খা’। সোমবার শেষের দিন মঞ্চস্থ হবে রাঙামাটির ফু-কালাং সাংস্কৃতিক একাডেমির তঞ্চঙ্গ্যা নাটক ‘গিঙিলি’।

রাঙামাটির হিলর প্রোডাকশন, জুমফুল থিয়েথার, খাগড়াছড়ির ত্রিপুরা য়ামুক নাট্যগোষ্ঠী, তঞ্চঙ্গ্যার ফু-কালাং সাংস্কৃতিক একাডেমির কয়েকজন নাট্য কর্মীদের সাথে ‘নাটক ও সাংস্কৃতিক’ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তারা জানান, দেশের একটি জাতির মূল পরিচয় হচ্ছে তার নিজস্ব ভাষা ও সাংস্কৃতি। বাংলাদেশে মোট ৪৫টি জাতি সত্ত্বার বসবাস। বাংলা ভাষা-ভাষীর পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে ১৪ আদিবাসী জাতি সত্ত্বার বসবাস। সে অনুসারে নিজ সংস্কৃতি বিকাশে বর্তমান সরকারের সহযোগিতা আবশ্যক। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ যদি সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোকে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে সহযোগিতা করে তাহলে ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে প্রচার ও প্রসার সম্ভব হবে।

ইন্সটিটিউটের পরিচালক রুনেল চাকমা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনদিনব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো জানান, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা পেলেই ভবিষ্যতে পার্বত্যাঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জাতি সত্ত্বা নিজ সংস্কৃতি বিকাশে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে।
রাঙামাটির হিলর ভালেদী ও হিলর প্রোডাকশনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সুশীল প্রসাদ চাকমা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত পার্বত্য চুক্তির শর্ত এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের আইনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু এতে সরকারের সহযোগিতা এখনও উল্লেখযোগ্য নয়। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ন-গোষ্ঠীর বিভিন্ন সাংষ্কৃতিক কর্মকান্ডে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি পিছিয়ে পড়ে রয়েছে। তাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ নিজস্ব ভাষা ও কৃষ্টি-সংস্কৃতির উপর সাংস্কৃতিক ও নাট্যকর্ম বাস্তবায়নের মাধ্যমে অক্ষুণœ থাকবে দেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি।

নাট্যকর্মী নিকেল চাকমা জানান, সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য জেলা পরিষদ অন্যতম ভূমিকা রাখতে পারতো। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে সাংস্কৃতিক বিকাশে সহযোগিতা চাওয়া হলে কোন সহযোগিতা পাইনি, বরং পরিষদ কর্তৃক বার বার বলা হয় পরিষদে এ বিষয়ে কোন বরাদ্ধ নেই”

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

রাঙামাটিতে নাট্য উৎসবে জমকালো অনুষ্ঠান

প্রকাশিত : ০৪:০৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৯

১৯৯৭ সালে সম্পাদিত পার্বত্য চুক্তির শর্ত মোতাবেক পাহাড়ি জাতিসত্ত্বাগুলোর সাংস্কৃতিক বিকাশ ও উন্নয়নে সরকারের সহায়তা চায় তিন পার্বত্য জেলার সাংস্কৃতিক ও নাট্য সংগঠনগুলো। তারা মনে করেন, সরকারের যথাযথ সহযোগিতা পেলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে। তা ছাড়া পড়ালেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গণে জড়িত থাকলে অপরাধমূলক কাজে জড়াবে না যুবসমাজ। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তরুণ-তরুণীদের উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করা গেলে তাদেরকে মাদক সেবন, সস্ত্রাস, অসামাজিক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে নিবৃত রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন, সাংস্কৃতিক ও নাট্যকর্মীরা। রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটে আয়োজিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নাট্য উৎসব চলাকালে এসব মন্তব্য করেন তারা।

গত ১৯ তারিখ শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি তিনদিনব্যাপী নাট্য উৎসব শেষ হয়েছে । চাকমা, তনচঙ্গ্যা ও ত্রিপুরা ভাষায় তিনটি নাটক পরিবেশিত হয় নিজস্ব মাতৃভাষায়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় পরিবেশিত মঞ্চ নাটক ঘিরে পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনোদনের ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। সম্প্রতি রাঙামাটির স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন হিলর ভালেদী ও অঙ্গ সংগঠন হিলর প্রোডাকশন এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৬ই জানুয়ারীতে ইন্সটিটিউটের অডিটরিয়ামে মঞ্চায়িত হয় চাকমা নাটক ‘ফাজা’। ফাজার বাংলা অর্থ আচরণ। সামাজিক কাহিনী ঘিরে তৈরি নাচে-গানে ভরপুর ‘ফাজা’ নাটকটি উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। পাশাপাশি ইন্টারনেটে ছাড়ায় ইউটিউব চ্যানেলনহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া হলে হাজার হাজার দর্শক উপভোগ করেছেন ফাজা নাটকটি। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেন, হিলর ভালেদী ও প্রোডাকশনের উপদেষ্টা ও দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি সুশীল প্রসাদ চাকমা। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, ফিল্ম নির্মাতা,সাংবাদিক সুপ্রিয় চাকমা শুভ, নিকেল চাকমা, পারমিতা চাকমা, সুহিতা দেওয়ান, প্রিয়াঙ্কা চাকমা, রোমিকা চাকমা, নমিতা চাকমা, প্রসেনজিৎ চাকমা, নিপায়ন চাকমা, শ্যামল চাকমা, জ্যাকশন চাকমা, সুমন চাকমা ও ওয়াইপ্রু চাই মারমাসহ নাট্যকার নিজেই। নাটকটির গান দুটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন- নবীন সঙ্গীতশিল্পী প্রিয়াঙ্কা চাকমা ও নিরু চাকমা।

ফাজা নাটকের মঞ্চায়নের পরপরই শনিবার থেকে শুরু হয় তিনদিনব্যাপী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মঞ্চ নাট্য উৎসব। ইন্সটিটিউটের অডিটরিয়ামে এ নাট্য উৎসবের আয়োজন করেছে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট।

 

১৯ জানুয়ারিতে পরিবেশিত হয় রাঙামাটির জুমফুল থিয়েথারের চাকমা নাটক ‘আদেই ধন’। তার পরের দিনে মঞ্চস্থ হয় খাগড়াছড়ির য়ামুক নাট্যগোষ্ঠীর ত্রিপুরা নাটক ‘কিয়ক্খা’। সোমবার শেষের দিন মঞ্চস্থ হবে রাঙামাটির ফু-কালাং সাংস্কৃতিক একাডেমির তঞ্চঙ্গ্যা নাটক ‘গিঙিলি’।

রাঙামাটির হিলর প্রোডাকশন, জুমফুল থিয়েথার, খাগড়াছড়ির ত্রিপুরা য়ামুক নাট্যগোষ্ঠী, তঞ্চঙ্গ্যার ফু-কালাং সাংস্কৃতিক একাডেমির কয়েকজন নাট্য কর্মীদের সাথে ‘নাটক ও সাংস্কৃতিক’ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে তারা জানান, দেশের একটি জাতির মূল পরিচয় হচ্ছে তার নিজস্ব ভাষা ও সাংস্কৃতি। বাংলাদেশে মোট ৪৫টি জাতি সত্ত্বার বসবাস। বাংলা ভাষা-ভাষীর পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলে ১৪ আদিবাসী জাতি সত্ত্বার বসবাস। সে অনুসারে নিজ সংস্কৃতি বিকাশে বর্তমান সরকারের সহযোগিতা আবশ্যক। এছাড়া তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ যদি সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোকে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে সহযোগিতা করে তাহলে ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে প্রচার ও প্রসার সম্ভব হবে।

ইন্সটিটিউটের পরিচালক রুনেল চাকমা জানান, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনদিনব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো জানান, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে সহযোগিতা পেলেই ভবিষ্যতে পার্বত্যাঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জাতি সত্ত্বা নিজ সংস্কৃতি বিকাশে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে।
রাঙামাটির হিলর ভালেদী ও হিলর প্রোডাকশনের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব সুশীল প্রসাদ চাকমা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত পার্বত্য চুক্তির শর্ত এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের আইনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু এতে সরকারের সহযোগিতা এখনও উল্লেখযোগ্য নয়। এ ছাড়া ক্ষুদ্র ন-গোষ্ঠীর বিভিন্ন সাংষ্কৃতিক কর্মকান্ডে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি পিছিয়ে পড়ে রয়েছে। তাদের বৈচিত্র্যপূর্ণ নিজস্ব ভাষা ও কৃষ্টি-সংস্কৃতির উপর সাংস্কৃতিক ও নাট্যকর্ম বাস্তবায়নের মাধ্যমে অক্ষুণœ থাকবে দেশের সুনাম ও ভাবমূর্তি।

নাট্যকর্মী নিকেল চাকমা জানান, সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য জেলা পরিষদ অন্যতম ভূমিকা রাখতে পারতো। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে সাংস্কৃতিক বিকাশে সহযোগিতা চাওয়া হলে কোন সহযোগিতা পাইনি, বরং পরিষদ কর্তৃক বার বার বলা হয় পরিষদে এ বিষয়ে কোন বরাদ্ধ নেই”

বিবি/ ইএম