০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, তৃণমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে। আর নেতৃত্ব নির্বাচনের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ভোট।

আজ শুক্রবার নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি জেনে খুশি হয়েছি, নির্বাচন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটার তালিকাভুক্তকরণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে। ভোটার তালিকাভুক্তরণের সাথে সাথে ভোটারদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে দলমত নির্বিশেষে সকলকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে ভোটারদের।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় ভোটার দিবস পালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ দিবসটিকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূল পর্যায়ে যথাযথভাবে পালন করা হলে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক সাড়া পড়বে।

তিনি বলেন, আমি আশা করব, দেশের সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এ লক্ষ্যে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাহলেই দেশে দোষারোপের রাজনীতির পরিবর্তে শান্তি, সৌহার্দ, সহমর্মিতা ও পরমত সহিষ্ণুতার রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। গণতন্ত্র ও উন্নয়ন এগিয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হদার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বক্তব্য দেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত : ০৯:৫১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০১৯

উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, তৃণমূল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে। আর নেতৃত্ব নির্বাচনের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হচ্ছে ভোট।

আজ শুক্রবার নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি জেনে খুশি হয়েছি, নির্বাচন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভোটার তালিকাভুক্তকরণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে। ভোটার তালিকাভুক্তরণের সাথে সাথে ভোটারদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কেও সচেতন করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে দলমত নির্বিশেষে সকলকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে ভোটারদের।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় ভোটার দিবস পালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ দিবসটিকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূল পর্যায়ে যথাযথভাবে পালন করা হলে দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক সাড়া পড়বে।

তিনি বলেন, আমি আশা করব, দেশের সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এ লক্ষ্যে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তাহলেই দেশে দোষারোপের রাজনীতির পরিবর্তে শান্তি, সৌহার্দ, সহমর্মিতা ও পরমত সহিষ্ণুতার রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। গণতন্ত্র ও উন্নয়ন এগিয়ে যাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হদার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বক্তব্য দেন।