০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

জনপ্রিয়তার শীর্ষে সোহেল চৌধুরী

আসন্ন ৩১ মার্চ ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃনমূলে জনপ্রিয়তায় আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল। উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের কাছে তার উদারতার যে প্রীতি সেটা ফুটে উঠেছে। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে তিনি অনেকটা অপ্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে উঠেছেন।

গত নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন। তৃণমূল জরিপের জনপ্রিয়তায় শীর্ষে উঠে আসলেও জেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয়ভাবে দল থেকে দ্বিতীয় বারের মত তাকেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ও তৃণমূল কর্মীদের আশার প্রতিফলন ঘটাতে নির্বাচনের জয়ী হতে মাঠে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বলেন, আমি ছাগলনাইয়া উপজেলার মধ্যম শিলুয়া চৌধুরী বাড়িতে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করি। বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। ছাগলনাইয়া রাজনৈতিক হাওয়া সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুকূলে ছিল। এখানে দীর্ঘদিন রাজনীতি করে যারা মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এবং এখনও অবস্থানে আছেন তাদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা।

তিনি বলেন, স্কুলজীবন থেকে এরকম একটি রাজনৈতিক আবহের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন বলে স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়ানোর ক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষ থেকে তেমন বাধা পাইনি। আমি ১৯৮৮ সালে ছাগলনাইয়া হরিপুর আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। এরপর ফেনী সরকারি কলেজ পর্যায়ে পড়াশোনার সময় পদ-পদবিতে থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সক্রিয় কর্মী ছিলাম। ১৯৯০ সালে ফেনী সরকারি কলেজ একাদশ শ্রেণির ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। ১৯৯৩ সালে ফেনী সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৯৫ সালে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিএস পদে নির্বাচিত হই। ১৯৯৬ সালে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ১৯৯৭ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও ১৯৯৮ সালে জেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ছিলাম। আমি ২০০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। এরপর ধীরে ধীরে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হই। ২০১৪ সালে আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হই।

তিনি বলেন, ফেনী-২ আসনের সাংসদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে ছাগলনাইয়া উপজেলাবাসীর উন্নয়ন করে যাচ্ছি। গত পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রেখেছি ছাগলনাইয়াতে। তিনি বলেন, সদর এমপি নিজাম ভাইর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে এলাকাবাসীর উন্নয়নের কাজ করেছি।

সোহেল চৌধুরী সমর্থকরা জানান, তিনি একাধারে অত্যন্ত নম্ন, ভদ্র,বিনয়ী ও কর্মী বান্ধব নেতা। যেকোন কর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূল সাধারণ ভোটাররা তার কাছে কোন প্রয়োজনে গেলে কাউকেই খালি হাতে ফিরিয়ে আসেননি। তিনি সাধ্যমত সব ধরণের চেষ্টা করে থাকেন। যেসময় জনপ্রতিনিধি ছিলেন না ওই সময়ও এলাকার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে থেকেছেন অবিচল। অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে জনগণের সুখে, দুঃখে সোহেল চৌধুরী নিজাম উদ্দিন হাজারীর হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে আসছেন। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, যুব ঋণ বিতরণ, টিউবওয়েল বিতরণ, সোলার বিতরণ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিম খানা,মন্দির, গীর্জাসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে সহায়তা করেছেন। উপজেলার স্কুল-কলেজ উন্নয়নেও তার অবদান রয়েছে। এছাড়া যুব সম্প্রদায়কে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করে খেলাধুলায় আগ্রহী করতে তিনি ভূমিকা রাখছেন। তিনি আবারও জনপ্রতিনিধি হলে উন্নয়নেরে এ ধারা আরো গতিশীল হবে মনে করছেন তারা।

জানা যায়, সাধারণ মানুষের মন জয় করার পাশাপাশি দলের রাজনীতিতেও মেজবাউল হায়দার চৌধুরীর সফলতার ছাপ রেখেছেন। উপজেলার রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে তার দলীয় নেতাকর্মী রয়েছে। যারা তার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা তার পক্ষে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। ছাগলনাইয়া রাজনীতিতে তার অবদান তুলে ধরে জনমত গঠনের কাজ করছেন।

মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বলেন, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্ন-আদর্শ বাস্তবায়নে নিজাম উদ্দিন হাজারীর একজন কর্মী হিসেবে সারাজীবন ছাগলনাইয়ার পাশে ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে পরিণত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার নেতা নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে ছাগলনাইয়াকে সেখানে পৌঁছে দিতে কাজ করব।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

জনপ্রিয়তার শীর্ষে সোহেল চৌধুরী

প্রকাশিত : ০৯:০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

আসন্ন ৩১ মার্চ ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃনমূলে জনপ্রিয়তায় আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল। উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের কাছে তার উদারতার যে প্রীতি সেটা ফুটে উঠেছে। যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে তিনি অনেকটা অপ্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে উঠেছেন।

গত নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হোন। তৃণমূল জরিপের জনপ্রিয়তায় শীর্ষে উঠে আসলেও জেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয়ভাবে দল থেকে দ্বিতীয় বারের মত তাকেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে ও তৃণমূল কর্মীদের আশার প্রতিফলন ঘটাতে নির্বাচনের জয়ী হতে মাঠে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হয়ে ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বলেন, আমি ছাগলনাইয়া উপজেলার মধ্যম শিলুয়া চৌধুরী বাড়িতে ১৯৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করি। বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। ছাগলনাইয়া রাজনৈতিক হাওয়া সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুকূলে ছিল। এখানে দীর্ঘদিন রাজনীতি করে যারা মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এবং এখনও অবস্থানে আছেন তাদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা।

তিনি বলেন, স্কুলজীবন থেকে এরকম একটি রাজনৈতিক আবহের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হই। আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন বলে স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতিতে জড়ানোর ক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষ থেকে তেমন বাধা পাইনি। আমি ১৯৮৮ সালে ছাগলনাইয়া হরিপুর আলী আকবর উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। এরপর ফেনী সরকারি কলেজ পর্যায়ে পড়াশোনার সময় পদ-পদবিতে থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সক্রিয় কর্মী ছিলাম। ১৯৯০ সালে ফেনী সরকারি কলেজ একাদশ শ্রেণির ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হই। ১৯৯৩ সালে ফেনী সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, ১৯৯৫ সালে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিএস পদে নির্বাচিত হই। ১৯৯৬ সালে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও ১৯৯৭ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও ১৯৯৮ সালে জেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ছিলাম। আমি ২০০৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। এরপর ধীরে ধীরে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হই। ২০১৪ সালে আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হই।

তিনি বলেন, ফেনী-২ আসনের সাংসদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফেনী আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে ছাগলনাইয়া উপজেলাবাসীর উন্নয়ন করে যাচ্ছি। গত পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাকে বজায় রেখেছি ছাগলনাইয়াতে। তিনি বলেন, সদর এমপি নিজাম ভাইর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে এলাকাবাসীর উন্নয়নের কাজ করেছি।

সোহেল চৌধুরী সমর্থকরা জানান, তিনি একাধারে অত্যন্ত নম্ন, ভদ্র,বিনয়ী ও কর্মী বান্ধব নেতা। যেকোন কর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূল সাধারণ ভোটাররা তার কাছে কোন প্রয়োজনে গেলে কাউকেই খালি হাতে ফিরিয়ে আসেননি। তিনি সাধ্যমত সব ধরণের চেষ্টা করে থাকেন। যেসময় জনপ্রতিনিধি ছিলেন না ওই সময়ও এলাকার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে থেকেছেন অবিচল। অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে জনগণের সুখে, দুঃখে সোহেল চৌধুরী নিজাম উদ্দিন হাজারীর হাতকে শক্তিশালী করতে কাজ করে আসছেন। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, যুব ঋণ বিতরণ, টিউবওয়েল বিতরণ, সোলার বিতরণ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিম খানা,মন্দির, গীর্জাসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে সহায়তা করেছেন। উপজেলার স্কুল-কলেজ উন্নয়নেও তার অবদান রয়েছে। এছাড়া যুব সম্প্রদায়কে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করে খেলাধুলায় আগ্রহী করতে তিনি ভূমিকা রাখছেন। তিনি আবারও জনপ্রতিনিধি হলে উন্নয়নেরে এ ধারা আরো গতিশীল হবে মনে করছেন তারা।

জানা যায়, সাধারণ মানুষের মন জয় করার পাশাপাশি দলের রাজনীতিতেও মেজবাউল হায়দার চৌধুরীর সফলতার ছাপ রেখেছেন। উপজেলার রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে তার দলীয় নেতাকর্মী রয়েছে। যারা তার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিশেষ করে উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীরা তার পক্ষে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। ছাগলনাইয়া রাজনীতিতে তার অবদান তুলে ধরে জনমত গঠনের কাজ করছেন।

মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বলেন, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্ন-আদর্শ বাস্তবায়নে নিজাম উদ্দিন হাজারীর একজন কর্মী হিসেবে সারাজীবন ছাগলনাইয়ার পাশে ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহরে পরিণত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমার নেতা নিজাম উদ্দিন হাজারীর নেতৃত্বে ছাগলনাইয়াকে সেখানে পৌঁছে দিতে কাজ করব।

বিবি/ ইএম