পাবনার সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের হাজী অজেল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ও বড়ইপাড়া গ্রামের কায়উম শেখের ছেলে কাওয়ারকে (১৬) বাঁশের কুঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারুক আহমেদ।
কাওছারের বাবা কায়উম শেখ জানান, আমার ছেলে ফারুক মাস্টারের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় ক্লাসরুমে তাকে বাঁশের কুঞ্চি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আমি স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ আমাকে কিছু টাকা দিয়ে ছেলে কে চিকিৎসা করাতে বলেন। আমি টাকা না নিয়ে আমার ছেলেকে সুজানগর হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করাই। ডাক্তার ছেলের হাত দেখে ভেঙ্গেছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এক্সরে করাতে বলেন। এক্সরে রির্পোট দেখে ডাক্তার জানান বাঁশের কুঞ্চির কিছু অংশ আপনার ছেলের হাতে ঢুকে আছে।
ডাক্তার ব্যাথার ঔষধ দিয়ে বলেন ব্যাথা কমার পর, আপনার ছেলের হাতে অপারেশন করতে হবে। কওছার জানায় ফারুক স্যার ক্লাস রুমে এসে আমাকে বলে তুই কোথায় প্রাইভেট পরিস, আমি অন্য শিক্ষকের কথা বলতেই, কেমন প্রাইভেট পড়েছিস বলেন ইংলিশে একটি প্রশ্ন করেন, উত্তর দিতে না পাড়ায় বাঁশের কুঞ্চি দিয়ে বেধরক মারপিট করে। সংবাদ পেয়ে আমার বাবা গিয়ে আমাকে নিয়ে সুজানগর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।
প্রধান শিক্ষক আব্দুল মজিদ বলেন, বিষয়টি আমি জানি, চিকিৎসা বাবদ আমি কিছু টাকা দিতে চেয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষক ফারুক জানান কাওছার আমার কাছে আগে প্রাইভেট পড়তো, ঠিকমত টাকা দিতে পারতো না, এখন আমি ওকে প্রাইভেট পড়াই না, প্রাইভেট পড়ার জন্য কাওছার কে মারধর করি নাই। ক্লাসের পড়া না পাড়ায় কাওছার কে মেরেছি, পরে ওদের বাড়িতে গিয়ে এ বিষয়ে মিমাংসা করেছি।
বিবি/জেজে
























