খবর প্রকাশের এক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়েছে বান্দরবানের লামা থানা পুলিশ। ২০ শতক জমিতে পূর্ণবয়স্ক ওচারাগাছ সহ প্রায় ৮শতাংশ চারা গাছ উপড়ে ফেলে পুলিশ। শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লামা পৌর শহরের পাশে সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রোয়াজা ঝিরি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
।জানা যায়, বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদারের নির্দেশে লামা থানায় সদ্য যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক এবং ১৫-২০জন পুলিশ সদস্য নিয়ে অভিযানে নামেন।
গাঁজা ক্ষেতের মালিক মো. ইয়াহিয়া মিন্টুর স্ত্রী খুরশিদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক খুরশিদা বেগম ও গাঁজা গাছগুলো পুলিশ লামা থানায় নিয়ে যায়।
তবে ক্ষেতের মালিক মো. ইয়াহিয়া মিন্টু কয়েকদিন ধরে লামায় না থাকায় তাকে আটক করা যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল হক বলেন, খবর শুনে সাথে সাথে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। প্রায় ২০ শতক জমিতে চাষ করা ৮ শতাধিক পূর্ণ বয়স্ক গাঁজা গাছ ও ১ হাজারের অধিক নার্সারীর গাঁজা চারা ধ্বংস করতে সক্ষম হই।
লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের রোয়াজা ঝিরি এলাকার লোকমানের বাড়ির পূর্ব পাশে পাহাড়ের কোল ঘেষে ৬০ শতক জমি বর্গা নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির শাক-সবজি চাষাবাদ করে মো. ইয়াহিয়া মিন্টু। তার স্ত্রী খুরশিদা বেগম (৩২) ক্ষেতের কাজে সহায়তা করেন। জমিটি লামা পৌরসভার ছাগলখাইয়া এলাকার আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুস সালাম লেদুর কাছ থেকে ১ বছরের জন্য ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বর্গা নেয় মিন্টু। সেখানে ভুট্টা, সীম, পেঁপে, বেগুন, মরিচসহ নানা রকম সবজির চাষাবাদ করা হয়েছে। তবে সবজি ক্ষেতের আড়ালে লুকিয়ে প্রায় ২০ শতক জমিতে নেশাদ্রব্য গাঁজার চাষ করেন মিন্টু।
বিবি/ ইএম





















