০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ছদ্মবেশে গরুর মাংসের দোকানে অভিযান ইউএনওর

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মাংসের দোকানে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন মাংস বিক্রেতাকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও বাজারে মাংসের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। আটকদের একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়সহ মুসলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি দুজন এখনও পুলিশ হেফাজতে আটক আছে।

এ প্রসঙ্গে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন  বলেন, ‘ছদ্মবেশে সিএনজি অটোরিকশায় করে উপজেলা সদর থেকে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুই দোকানে মাংস কিনতে গেলাম। প্রথমজন বললেন, প্রতিকেজি মাংস এক দাম ৭০০ টাকা। পরের দোকানি বললেন, আপনাকে ৫০ টাকা সম্মান করব, ৬৫০ টাকা একদাম।’

এর পর ছদ্মবেশ খুলে ফেলেন ইউএনও। ততক্ষণে সব মাংস বিক্রেতার চোখ কপালে উঠে গেছে। মুহূর্তেই কমিয়ে দিলেন মাংসের দাম।

ইউএনও রুহুল আমিন বললেন, রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে গরুর মাংসের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালাই হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও বাজারের বিভিন্ন মাংসের দোকানে। তিন দিন আগে তাদের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৫০০ থেকে ৫৭০ টাকায় মানভেদে মাংস বিক্রি করবেন। এখন সেটিই তারা মানছেন না। এ কারণে অভিযোগের সত্যতা জানতে ছদ্মবেশে এ অভিযান চালানো হয়।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

ছদ্মবেশে গরুর মাংসের দোকানে অভিযান ইউএনওর

প্রকাশিত : ০৩:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০১৯

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মাংসের দোকানে ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন মাংস বিক্রেতাকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও বাজারে মাংসের দোকানে এ অভিযান চালানো হয়। আটকদের একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়সহ মুসলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি দুজন এখনও পুলিশ হেফাজতে আটক আছে।

এ প্রসঙ্গে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন  বলেন, ‘ছদ্মবেশে সিএনজি অটোরিকশায় করে উপজেলা সদর থেকে বাসস্ট্যান্ড এলাকার দুই দোকানে মাংস কিনতে গেলাম। প্রথমজন বললেন, প্রতিকেজি মাংস এক দাম ৭০০ টাকা। পরের দোকানি বললেন, আপনাকে ৫০ টাকা সম্মান করব, ৬৫০ টাকা একদাম।’

এর পর ছদ্মবেশ খুলে ফেলেন ইউএনও। ততক্ষণে সব মাংস বিক্রেতার চোখ কপালে উঠে গেছে। মুহূর্তেই কমিয়ে দিলেন মাংসের দাম।

ইউএনও রুহুল আমিন বললেন, রমজানে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে গরুর মাংসের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ছদ্মবেশে অভিযান চালাই হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড ও বাজারের বিভিন্ন মাংসের দোকানে। তিন দিন আগে তাদের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৫০০ থেকে ৫৭০ টাকায় মানভেদে মাংস বিক্রি করবেন। এখন সেটিই তারা মানছেন না। এ কারণে অভিযোগের সত্যতা জানতে ছদ্মবেশে এ অভিযান চালানো হয়।

বিবি/ ইএম