০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নলছিটির দুই গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি ও ভরতকাঠি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খাল। খালটি গ্রাম দুটির সীমানাচিহ্ন বহন করছে। ৬০ ফুট চওড়া এই খালের উপর নির্মিত একমাত্র সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন পাড় হতে হয় গ্রামবাসীদের। প্রায় দুই যুগ ধরে ওই গ্রাম দুটির গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে সাঁকোটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে প্রতিদিন স্কুল যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। বিশেষ করে নারী ও বৃদ্ধদের যাতায়াতে এটি পার হতে হয় আতংক নিয়ে। বিশেষ করে রোগীদের এ সাঁকো পার হয়ে চিকিৎসা নিতে যাবার সময় দূর্ভোগের সীমা নেই। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে গ্রামবাসি কষ্ট করে যাতায়াত করলেও এখানে ব্রীজ বা কালভার্ট নির্মানের কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে আবেদন করে রাখা হলেও এ সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা। প্রায়ই এটি পারাপারের সময় দূর্ঘটনা ঘটছে।

জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আকবর আলী ও ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আনছার উদ্দিন জানান, বিগত দিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি ব্রীজ/কালভার্ট নির্মান করা হয়নি। যা আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবি। কিন্তু নির্বাচন এলেই খালটির উপর কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দুটির ভোটারদের কাছে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূরণ হয়নি বলে গ্রামবাসিদের অভিযোগ। এ বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা জানান, এই খালের উপর একটি ব্রীজ বা কালভার্ট একান্ত জরুরী। কারন দুটি গ্রামের জনসাধারণের চলাচল ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম খালটি। এটি সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে জনদূর্ভোগের শেষ নেই। যদিও এজন্য ত্রান মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের টেকসই প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে এখানে ব্রীজ/কালভার্ট নির্মান হতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বন্ধ কারখানা চালু সহ পাবনার উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন শিমুল বিশ্বাস

নলছিটির দুই গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

প্রকাশিত : ০৫:১৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের উত্তর জুরকাঠি ও ভরতকাঠি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে খাল। খালটি গ্রাম দুটির সীমানাচিহ্ন বহন করছে। ৬০ ফুট চওড়া এই খালের উপর নির্মিত একমাত্র সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন পাড় হতে হয় গ্রামবাসীদের। প্রায় দুই যুগ ধরে ওই গ্রাম দুটির গ্রামের ৫ শতাধিক পরিবারের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে সাঁকোটি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের পানি বেড়ে গেলে সাঁকোর অনেকটাই তলিয়ে যায়। তারপরও ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পেরিয়ে প্রতিদিন স্কুল যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিশুদের। বিশেষ করে নারী ও বৃদ্ধদের যাতায়াতে এটি পার হতে হয় আতংক নিয়ে। বিশেষ করে রোগীদের এ সাঁকো পার হয়ে চিকিৎসা নিতে যাবার সময় দূর্ভোগের সীমা নেই। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে গ্রামবাসি কষ্ট করে যাতায়াত করলেও এখানে ব্রীজ বা কালভার্ট নির্মানের কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাদের কাছে আবেদন করে রাখা হলেও এ সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেনা। প্রায়ই এটি পারাপারের সময় দূর্ঘটনা ঘটছে।

জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আকবর আলী ও ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা আনছার উদ্দিন জানান, বিগত দিনে অনেক সরকার ক্ষমতায় এলেও আজ পর্যন্ত আমাদের দুই গ্রামের সংযোগ ও যাতায়াতের জন্য একটি ব্রীজ/কালভার্ট নির্মান করা হয়নি। যা আমাদের দীর্ঘ দিনের দাবি। কিন্তু নির্বাচন এলেই খালটির উপর কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা হাজির হয় গ্রাম দুটির ভোটারদের কাছে। সেই প্রতিশ্রুতি আজ পর্যন্ত পূরণ হয়নি বলে গ্রামবাসিদের অভিযোগ। এ বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা জানান, এই খালের উপর একটি ব্রীজ বা কালভার্ট একান্ত জরুরী। কারন দুটি গ্রামের জনসাধারণের চলাচল ও যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম খালটি। এটি সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে জনদূর্ভোগের শেষ নেই। যদিও এজন্য ত্রান মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের টেকসই প্রকল্পে আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে এখানে ব্রীজ/কালভার্ট নির্মান হতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম