০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

অর্ধেক সাঁকো অর্ধেক পানি

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কালনীয়কান্দা গ্রামে কালিয়া নদীর উপর ব্রিজ না থাকায় তিনটি ইউনিয়নরে ১২ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০০১ সালে তৎকালীন গালাগাঁও ও রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদ্বয়ের উদ্বোগে কালনীকান্দা এবং ঘোষপাড়া গ্রামে কালনীয়ান নদীরউপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন।

এ নদীর বাঁশের ব্রিজ পারাপার হয়ে গালাগাঁও ইউনিয়নের ঘোষপাড়া, চাড়িয়া, মারুয়াকান্দি, মেঘহালা, নাকডোরা ও কামারগাঁও ইউনিয়নের বাহিরকান্দা, আশ্বিয়া, গোবিন্দখিলা গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চারিয়া, চংনাপাড়া ও রাজদারিবেল বাজারে যাতায়ত করে। এছাড়া স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে এ বাঁশের সাঁকো পারি দিয়ে যাতায়াত করছে।

এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় আবুল কাশেম নামে একজন নিজ উদ্দ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করেন। তিনি এ এলাকায় লোকজনের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করে নিজ উদ্যেগে সাঁকোটি মেরামত করে থাকেন। সম্প্রতি অতি বৃষ্টিপাতের ফলে কালিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাঁকোটি ভেঙে যায়।

বর্তমানে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহ যাবৎ স্থানীয় লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পারাপারের বিকল্প না থাকায় বাড়ির বাইরে যাতায়াত অনেকটাই বন্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ বা সাঁকোটি ঠিক না করলে দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তিতে পড়বে মানুষ।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিডি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, সাঁকোটি পরির্দশন করে কর্তৃপক্ষ বরাবরে তালিকা প্রেরণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

অর্ধেক সাঁকো অর্ধেক পানি

প্রকাশিত : ০৪:১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কালনীয়কান্দা গ্রামে কালিয়া নদীর উপর ব্রিজ না থাকায় তিনটি ইউনিয়নরে ১২ গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০০১ সালে তৎকালীন গালাগাঁও ও রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদ্বয়ের উদ্বোগে কালনীকান্দা এবং ঘোষপাড়া গ্রামে কালনীয়ান নদীরউপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন।

এ নদীর বাঁশের ব্রিজ পারাপার হয়ে গালাগাঁও ইউনিয়নের ঘোষপাড়া, চাড়িয়া, মারুয়াকান্দি, মেঘহালা, নাকডোরা ও কামারগাঁও ইউনিয়নের বাহিরকান্দা, আশ্বিয়া, গোবিন্দখিলা গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চারিয়া, চংনাপাড়া ও রাজদারিবেল বাজারে যাতায়ত করে। এছাড়া স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে এ বাঁশের সাঁকো পারি দিয়ে যাতায়াত করছে।

এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় আবুল কাশেম নামে একজন নিজ উদ্দ্যোগে সাঁকোটি মেরামত করেন। তিনি এ এলাকায় লোকজনের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করে সেগুলো বিক্রি করে নিজ উদ্যেগে সাঁকোটি মেরামত করে থাকেন। সম্প্রতি অতি বৃষ্টিপাতের ফলে কালিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাঁকোটি ভেঙে যায়।

বর্তমানে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহ যাবৎ স্থানীয় লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পারাপারের বিকল্প না থাকায় বাড়ির বাইরে যাতায়াত অনেকটাই বন্ধ হয়ে পড়েছে। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ বা সাঁকোটি ঠিক না করলে দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তিতে পড়বে মানুষ।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিডি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, সাঁকোটি পরির্দশন করে কর্তৃপক্ষ বরাবরে তালিকা প্রেরণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম