অনেক দূর্ভোগ আর দুঃখ কষ্টের পর মীরসরাই-ফটিকছড়ি সংযোগ সড়কের মীরসরাই অংশের আমবাড়িয়ায় সড়ক নির্মাণে খুশি এলাকাবাসী। সড়কটির নির্মাণের কয়েক মাস যেতে না যেতে দেবে গেছে এর দু’পাশ। এছাড়াও পাশে আরো বেশি অংশ ধ্বসে যাওয়ার আশংকা দৃশ্যমান।
সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগি এলাকাবাসীরা বলেন, আমরা অনেক বছর এই রাস্তার ভগ্ন দশা আর আমবাড়িয়া ব্রীজের নির্মাণে ধীরগতির জন্য অনেক দুর্ভোগ সহ্য করেছি। গ্রামের সাবেক জনপ্রতিনিধি স্থানীয় জয়নাল আবেদিন বলেন, এই গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে এই ব্রীজের নির্মাণাধীন কাজের জন্য কয়েক বছর ধরে হাটু পানি ও কাদা মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়েছে।
সিএনজি অটোরিক্সা এবং রিক্সাও চলাচল করতে হয়েছে অনেক ঝুঁকি নিয়ে। অসুস্থ রোগীকে কাঁধে করেও পারাপার করতে হয়েছে। এই দূর্ভোগের কারণে ব্রীজটির নির্মাণ কাজের ঠিকাদার এবং পৌর কর্তৃপক্ষকে সমানভাবে দায়ী করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগিরা।
অবশেষে গত কয়েকমাস পূর্বে এই রাস্তাটি সংস্কারের জন্য পূনঃ টেন্ডার হওয়ার পর চট্টগ্রামের সাখাওয়াত এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান এর নির্মাণ কাজ করে। কিন্তু ব্রীজের ঠিকাদার অনেক আগে কাজ শুরু করলেও মেয়রের সাথে ব্যক্তিগত রেসারেসির কারণে কাজের ধীরগতির কারণে স্থানীয়রা দূর্ভোগে পড়ে দীর্ঘ সময় ধরে। অবশেষে মেয়র রাস্তার ঠিকাদারকে দিয়ে দু’পাশে জনচলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়।
কিন্ত উক্ত কাজের মাত্র দুই মাস যেতে না যেতেই ব্রীজের দুপার্শে দেবে গেছে পুরো রাস্তা। এখন প্রশ্ন উঠছে সরকার এতোটাকা ব্যয় করে ব্রীজ এবং রাস্তা করে জনদূর্ভোগের লাঘবের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করলেও কয়েকজন মানুষের জন্য জনদূর্ভোগের কি অবসান হবে না ?
এই বিষয়ে ঠিকাদার শাখাওয়াত বলেন, এই ব্রীজের দু’পাশের এপ্রোচ আমার কাজ নয়, তবুও জনস্বার্থে মেয়রের অনুরোধে ব্যক্তিগত টাকায় করে দিয়েছি। এখন ব্রীজের ঠিকাদার যদি তার অবশিষ্ট দু’পার্শের বক্স ও গার্ডওয়াল না করে, এর দায়িত্ব আমার নয়।
এই বিষয় মীরসরাই পৌর প্রকৌশলি পরাক্রম চাকমা বলেন, আমি মাত্র এই এলাকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, তবে শীঘ্রই এই ব্রীজের দু’পার্শের গার্ডওয়াল নির্মানসহ রাস্তার টেকসই নির্মাণ নিশ্চিত করতে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করবো।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম




















