বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি কমলেও এখনও বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর বাঙালি নদীর পানি বেড়ে বিপদ সীমার ৯৮.৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নতুন করে ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বাঙালি নদীর পানিতে সারিয়াকান্দি সদর, হাটশেরপুর, নারচি, ফুলবাড়ি ও ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার সবগ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যা দুর্গতরা বসতবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি, পুকুর, মুরগির খামারে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, যমুনার পানি কমলেও বাঙালিতে বাড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় যমুনার পানি কমে বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। একই সময় বাঙালি নদীতে বিপদসীমার ৯৮.৭০ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় ২০ জুলাই পর্যন্ত সারিয়াকান্দিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৯০ হাজার ৫২০ জন। বাঙালি নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট বন্যায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩৭ হাজার ৯২৫ জন।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ এমএ




















