০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

রাবিতে ধর্ষণ-নিপীড়ন বিরোধী পথনাটক প্রদর্শিত

সারাদেশে চলমান নারী, শিশু ধর্ষণ-নিপীড়ন ও হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে পথনাটক ‘বিচার দাবি’ প্রদর্শিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে এ নাটক প্রদর্শিত হয়।

নাটকের দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, চেয়ারম্যানের ছেলে একটি মেয়ের সম্ভ্রম কেড়ে নেয়। মেয়েটি হুঁশ ফিরে পাওয়ার পর বাড়িতে গিয়ে মাকে ঘটনাটি খুলে বলে। মা বিচারের জন্য যান চেয়ারম্যানের কাছে। কিন্তু অপরাধী সন্তানের বিচার না করে তার দোষ লুকানোর তদবির শুরু করেন। একসময় সফল হন তিনি। কিন্তু মেয়েটি বিচার না পেয়ে উল্টো মানুষের কাছ লাঞ্ছিত হতে থাকেন। এক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে।

নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে, দ্বিতীয় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনের সামনে এবং তৃতীয় ক্যাম্পাসের পরিবহন মার্কেটের আমতলায় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন বাপ্পী কুমার, মামুন, আজম, নবনিতা, শহীদ, ঋতু, আদি, নবাব প্রমুখ। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক জোটের কর্মী।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নিপীড়ন বিরোধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক তমালিকা বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সেখানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক সুখন সরকার, সাবেক সাংস্কৃতিক কর্মী নৃপেন হাজরা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ম-লির সদস্য আজম হোসেন।

নাটকটির নিদের্শক বাপ্পী কুমার বলেন, এই শৈল্পিক প্রতিবাদের মাধ্যমে ক্ষমতার কারণে সাধারণ মানুষেরা যে আজ নিরুপায় সেই চিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

রাবিতে ধর্ষণ-নিপীড়ন বিরোধী পথনাটক প্রদর্শিত

প্রকাশিত : ০৪:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

সারাদেশে চলমান নারী, শিশু ধর্ষণ-নিপীড়ন ও হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে পথনাটক ‘বিচার দাবি’ প্রদর্শিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্যাম্পাসের তিনটি স্থানে এ নাটক প্রদর্শিত হয়।

নাটকের দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, চেয়ারম্যানের ছেলে একটি মেয়ের সম্ভ্রম কেড়ে নেয়। মেয়েটি হুঁশ ফিরে পাওয়ার পর বাড়িতে গিয়ে মাকে ঘটনাটি খুলে বলে। মা বিচারের জন্য যান চেয়ারম্যানের কাছে। কিন্তু অপরাধী সন্তানের বিচার না করে তার দোষ লুকানোর তদবির শুরু করেন। একসময় সফল হন তিনি। কিন্তু মেয়েটি বিচার না পেয়ে উল্টো মানুষের কাছ লাঞ্ছিত হতে থাকেন। এক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে।

নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে, দ্বিতীয় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনের সামনে এবং তৃতীয় ক্যাম্পাসের পরিবহন মার্কেটের আমতলায় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন বাপ্পী কুমার, মামুন, আজম, নবনিতা, শহীদ, ঋতু, আদি, নবাব প্রমুখ। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক জোটের কর্মী।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নিপীড়ন বিরোধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক তমালিকা বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সেখানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক সুখন সরকার, সাবেক সাংস্কৃতিক কর্মী নৃপেন হাজরা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ম-লির সদস্য আজম হোসেন।

নাটকটির নিদের্শক বাপ্পী কুমার বলেন, এই শৈল্পিক প্রতিবাদের মাধ্যমে ক্ষমতার কারণে সাধারণ মানুষেরা যে আজ নিরুপায় সেই চিত্রটি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম