০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নুসরাত হত্যা: জেল সুপার রফিকুলসহ সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

নুসরাত হত্যা মামলাঢ জেল সুপার রফিকুলসহ সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুলাই) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এই সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেল সুপার ছাড়াও ডেপুটি জেলার মনির হোসেন, কারারক্ষী মো. শাহনেওয়াজ, মো. রিপন, ছবি রঞ্জন ত্রিপুরা, স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী মো. গোলাম মাওলা ও মোশারেফ হোসেনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে বাদীসহ ৫৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়েছে। হাফেজ আহাম্মদ আরও জানান, সোমবার (২৯ জুলাই) নুসরাতের বাবা এ কে এম মুসা মানিক এবং অন্য দুই সাক্ষী মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ সেলিমের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

উল্লেখ্য, নুসরাত সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে তিনি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এসময় তাকে কৌশলে পাশের বহুতল ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান। এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নুসরাত হত্যা: জেল সুপার রফিকুলসহ সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

প্রকাশিত : ১১:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯

নুসরাত হত্যা মামলাঢ জেল সুপার রফিকুলসহ সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুলাই) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এই সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেল সুপার ছাড়াও ডেপুটি জেলার মনির হোসেন, কারারক্ষী মো. শাহনেওয়াজ, মো. রিপন, ছবি রঞ্জন ত্রিপুরা, স্থানীয় ওষুধ ব্যবসায়ী মো. গোলাম মাওলা ও মোশারেফ হোসেনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে বাদীসহ ৫৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়েছে। হাফেজ আহাম্মদ আরও জানান, সোমবার (২৯ জুলাই) নুসরাতের বাবা এ কে এম মুসা মানিক এবং অন্য দুই সাক্ষী মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ সেলিমের সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

উল্লেখ্য, নুসরাত সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে তিনি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়। ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথমপত্রের পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এসময় তাকে কৌশলে পাশের বহুতল ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সেখানে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নুসরাত মারা যান। এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ