১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

২০ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

২০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে প্রায় ২০ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ম্যানেজার (বাণিজ্য) আব্দুল আলিম জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পদ্মায় ঢেউ কমেছে। তাই ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু করা হয়। তবে বর্তমানে ১৫ টি ফেরির মধ্যে রো রো ও কে-টাইপসহ ৬ টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। স্রোতের তীব্রতা আরও কমলে টানা (ডাম্ব) সহ অন্যান্য ফেরি গুলোর চলাচল শুরু করবে।

তিনি আরও জানান,৭আগস্ট মঙ্গলবার রাত থেকেই পদ্মায় প্রচণ্ড ঢেউ ও তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপার ব্যহত হচ্ছিল। এ কারণে ডাম্ব ফেরিসহ ছোট ফেরিগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ৭ আগস্ট বুধবার সকাল থেকে পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় মাত্র ৪টি ফেরি দিয়ে পারাপার কোনো রকমে সচল রাখা হচ্ছিল। দুপুর ১২টার পর থেকে আবহাওয়া আরও খারাপ হলে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এ কারণে উভয় ঘাটে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই মাস পর তেহরান থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ফের চালু

২০ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

প্রকাশিত : ১০:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০১৯

২০ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে প্রায় ২০ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাট ম্যানেজার (বাণিজ্য) আব্দুল আলিম জানান, আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পদ্মায় ঢেউ কমেছে। তাই ৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু করা হয়। তবে বর্তমানে ১৫ টি ফেরির মধ্যে রো রো ও কে-টাইপসহ ৬ টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। স্রোতের তীব্রতা আরও কমলে টানা (ডাম্ব) সহ অন্যান্য ফেরি গুলোর চলাচল শুরু করবে।

তিনি আরও জানান,৭আগস্ট মঙ্গলবার রাত থেকেই পদ্মায় প্রচণ্ড ঢেউ ও তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি পারাপার ব্যহত হচ্ছিল। এ কারণে ডাম্ব ফেরিসহ ছোট ফেরিগুলোর চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ৭ আগস্ট বুধবার সকাল থেকে পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় মাত্র ৪টি ফেরি দিয়ে পারাপার কোনো রকমে সচল রাখা হচ্ছিল। দুপুর ১২টার পর থেকে আবহাওয়া আরও খারাপ হলে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এ কারণে উভয় ঘাটে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ