বিখ্যাত দার্শনিক হেলেন কিলার বলেছেন, “পৃথিবীর সুন্দরতম জিনিসগুলো হাতে ছোঁয়া যায় না, চোখে দেখা যায় না, সেগুলো একমাত্র হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়- ভালবাসা, জীবে দয়া আর আন্তরিকতা”। সে রকম একটি সুন্দরতম কাজ কিংবা সংগঠন এর নাম “আল মোস্তফা সমাজ কল্যান সংস্থা ”। যা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়।
২০১৫ সালে বরিশাল জেলার বানারীপাড়ার সৈয়দকাঠী এলাকার সিদ্দিকুর রহমান নামে এক মহৎ মানুষ ডেমরায় এ সংগঠনটি চালু করেন।সিদ্দিকুর রহমান সৈয়দকাঠী বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ঢাকার সলিমুল্লাহ কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করে।মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান সিদ্দিক প্রতিকূলতা ও সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জীবন শুরু করেন।সামাজিক বিভিন্ন কাজের জন্য পেয়েছেন বিভিন্ন সম্মাননা ,স্মারক ও অজন করেছেন বিশেষ খ্যাতি।
এ সংগঠনটি গত পাঁচ বছরে অনেকখানি বদলে দিয়েছে।সবুজের সমারোহ বাড়াতে স্থানীয় সড়কের পাশে তাঁরা রোপন করেছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা।গরীব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় দেয়া হচ্ছে অনুদান,অসহায় গরিবদের জন্য রয়েছে দাফন-কাফন।গরীব জনসাধারণের মাঝে দেয়া হচ্ছে ঈদ সামগ্রী ও কাপড়। ফ্রি ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ও সেচ্ছায় রক্ত দানের ব্যবস্থাও করা হয়।
সংস্থার কর্মতালিকায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে আরো নতুন নতুন উদ্যোগ, অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ। এতসব কাজের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি তরুণ সংগঠক সিদ্দিকুর রহমান।
সংগঠনের পথ চলা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পিতার স্মৃতি মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আল মোস্তফা সংস্থা সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে সবসময় দাড়িয়েছে।সমাজের সকলের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে যাবো।সামাজিক কাজের আত্নতৃপ্তির মাধ্যমে সমাজ থেকে অজ্ঞতা দূর করবো ইনশাআল্লাহ।সমাজ সংস্কারই আমাদের মূল লক্ষ।সেবামূলক কাজের জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।তিনি আরো বলেন,সেচ্ছায় রক্তদানে উদ্ধৃত করতে অামি নিজেও ১৮ বার রক্ত দান করেছি। সংগঠনের সুসময়ে যারা পাশে দাড়িয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেসকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম






















