০৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

টিনের ঘরের টাকায় আধাপাকা ঘর দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও 

টিনের ঘরের টাকায় আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহা পরিচালক (প্রশাসন) খলিলুর রহমানের অনুপ্রেরণায় টিনের ঘরের টাকা দিয়ে ভোলাচং ঋষিপাড়ার দলিত ও হরিজন সম্প্রদায়ের ২০টি পরিবারকে আধাপাকা ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন।

এ উদ্যোগ শুধু মানুষের মাঝে সাড়া ফেলেনি দরিদ্ররা পাচ্ছেন টেকসই বাড়ি। নবীনগরের ভোলাচং ঋষিপাড়া গ্রামের গৃহবধু ছবি রাণী ঋষি পাকা ঘরে ঘুমাবেন এটা কখনোই ভাবেননি। কিন্তু ক’দিন পরই আধাপাকা ঘর হবে তার বসবাসের জন্য। এখন চলছে ধোয়ামোছা, রংয়ের কাজ শেষ হলেই পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করবেন। ছবি রাণীর মত আরও ২০টি পরিবারের মাথা গোজার ঠাই হবে এমন আধাপাকা ঘরে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেছেন, এ উদ্যোগের ফলে অসহায় পরিবারগুলোর স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পাশাপাশি সরকারি টাকার সদ্ব্যবহার হচ্ছে ।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বলেন, ‘‘জমি আছে, ঘর নেই প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র মানুষকে টিনের ঘর তৈরি করে দেওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। কিন্তু টিনের ঘরের বরাদ্দের টাকা দিয়েই আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে দিতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে’’। সরকারের জমি আছে ঘর নেই প্রকল্প যতটা না প্রশংসিত হয়েছে; তারচেয়ে বেশী প্রশংসা পাচ্ছে বরাদ্দকৃত এক-ই অর্থে টিনের ঘরের পরিবর্তে আধাপাকা ঘর নির্মাণ। নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এই উদ্যোগের ফলে টেকসই বাড়ি পেয়ে খুশি স্থানীয়রা।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই মাস পর তেহরান থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ফের চালু

টিনের ঘরের টাকায় আধাপাকা ঘর দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউএনও 

প্রকাশিত : ০৫:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৯

টিনের ঘরের টাকায় আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহা পরিচালক (প্রশাসন) খলিলুর রহমানের অনুপ্রেরণায় টিনের ঘরের টাকা দিয়ে ভোলাচং ঋষিপাড়ার দলিত ও হরিজন সম্প্রদায়ের ২০টি পরিবারকে আধাপাকা ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন।

এ উদ্যোগ শুধু মানুষের মাঝে সাড়া ফেলেনি দরিদ্ররা পাচ্ছেন টেকসই বাড়ি। নবীনগরের ভোলাচং ঋষিপাড়া গ্রামের গৃহবধু ছবি রাণী ঋষি পাকা ঘরে ঘুমাবেন এটা কখনোই ভাবেননি। কিন্তু ক’দিন পরই আধাপাকা ঘর হবে তার বসবাসের জন্য। এখন চলছে ধোয়ামোছা, রংয়ের কাজ শেষ হলেই পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করবেন। ছবি রাণীর মত আরও ২০টি পরিবারের মাথা গোজার ঠাই হবে এমন আধাপাকা ঘরে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেছেন, এ উদ্যোগের ফলে অসহায় পরিবারগুলোর স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পাশাপাশি সরকারি টাকার সদ্ব্যবহার হচ্ছে ।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বলেন, ‘‘জমি আছে, ঘর নেই প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র মানুষকে টিনের ঘর তৈরি করে দেওয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। কিন্তু টিনের ঘরের বরাদ্দের টাকা দিয়েই আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে দিতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে’’। সরকারের জমি আছে ঘর নেই প্রকল্প যতটা না প্রশংসিত হয়েছে; তারচেয়ে বেশী প্রশংসা পাচ্ছে বরাদ্দকৃত এক-ই অর্থে টিনের ঘরের পরিবর্তে আধাপাকা ঘর নির্মাণ। নবীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এই উদ্যোগের ফলে টেকসই বাড়ি পেয়ে খুশি স্থানীয়রা।