১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঈদযাত্রায় নিহত ২৬৫

ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌ পথে সম্মিলিতভাবে ২৪৪টি দুর্ঘটনায় ২৬৫ জন নিহত ও ৯১০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সড়কেই ২১৩টি দুর্ঘটনায় ২২৬ জন নিহত, ৮৬৬ জন আহত হন। ঈদের আগে ও পরে ১২ দিনে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

রোববার রাজধানীর ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৯ প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

গত ৬ আগস্ট থেকে ১১৯ আগস্ট পর্যন্ত বিগত ১১৪ দিনের হিসাব টেনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‌‘২০৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩৬ জন নিহত ও ৮৬৬ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় তিনজন শ্রমিক, ৭০ জন নারী, ২২ জন শিশু, ৪২ জন ছাত্রছাত্রী, তিনজন সাংবাদিক, দুইজন চিকিৎসক, আটজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, তিনজন রাজনৈতিক নেতা, ৯০০ জন যাত্রী ও পথচারী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।’

সড়ক, রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ২৪৪টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন সমিতির মহাসচিব।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ঈদের চেয়ে এবার রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৭.৪ শতাংশ বাস, ২৬.৩৩ শতাংশ মোটরসাইকেল ১৬.৪ শতাংশ ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান, লরি, ৭.৮২ শতাংশ কার-মাইক্রো, ১৩.৫২ শতাংশ অটোরিকশা, ৩.৫৫ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৪.৯৮ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

সংঘটিত দুর্ঘটনার ২১ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫২.২১ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা, ১৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায় ও ৯.৮৫ শতাংশ অনান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান, কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ, যাত্রী অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক কেফায়েত শাকিল ও যাত্রী কল্যাণ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাওহিদুল হক লিটন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঈদযাত্রায় নিহত ২৬৫

প্রকাশিত : ০৭:১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯

ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌ পথে সম্মিলিতভাবে ২৪৪টি দুর্ঘটনায় ২৬৫ জন নিহত ও ৯১০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সড়কেই ২১৩টি দুর্ঘটনায় ২২৬ জন নিহত, ৮৬৬ জন আহত হন। ঈদের আগে ও পরে ১২ দিনে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

রোববার রাজধানীর ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৯ প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

গত ৬ আগস্ট থেকে ১১৯ আগস্ট পর্যন্ত বিগত ১১৪ দিনের হিসাব টেনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‌‘২০৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩৬ জন নিহত ও ৮৬৬ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় তিনজন শ্রমিক, ৭০ জন নারী, ২২ জন শিশু, ৪২ জন ছাত্রছাত্রী, তিনজন সাংবাদিক, দুইজন চিকিৎসক, আটজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, তিনজন রাজনৈতিক নেতা, ৯০০ জন যাত্রী ও পথচারী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন।’

সড়ক, রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ২৪৪টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ২৫৩ জন নিহত ও ৯০৮ জন আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন সমিতির মহাসচিব।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘বিগত ঈদের চেয়ে এবার রাস্তাঘাটের পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৭.৪ শতাংশ বাস, ২৬.৩৩ শতাংশ মোটরসাইকেল ১৬.৪ শতাংশ ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান, লরি, ৭.৮২ শতাংশ কার-মাইক্রো, ১৩.৫২ শতাংশ অটোরিকশা, ৩.৫৫ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৪.৯৮ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা ও ইজিবাইক এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

সংঘটিত দুর্ঘটনার ২১ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫২.২১ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেয়ার ঘটনা, ১৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায় ও ৯.৮৫ শতাংশ অনান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান, কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি’র নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ, যাত্রী অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক কেফায়েত শাকিল ও যাত্রী কল্যাণ সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাওহিদুল হক লিটন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ