১১:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঘাতক বাস কেড়ে নিল জসিমের পরিবারের সবাইকে

কুমিল্লা নগরীর গোয়ালপট্টি এলাকায় বন্ধন নামে একটি খাবার হোটেলের ব্যবসা করতেন নাঙ্গলকোটের ঘোড়া ময়দান গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৫)। তিনি পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী ছিলেন। গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কুমিল্লায় ফিরছিলেন। ১৮ আগস্ট গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কের লালমাই উপজেলার বাগমারা জামতলী এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সঙ্গে ছিলেন তার মা, স্ত্রী, চার সন্তান ও এক হোটেল বয়। কিন্তু চোখের পলকে তিসা পরিবহনের যাত্রীবাহী দ্রুতগতির একটি বাসের চাপায় শেষ পুরো পরিবারটি। বিপরীতমুখী বাসের চাপায় তাদের বহন করা অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পরিবারের তিনজন মারা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় জসিমের তিন সন্তানের। ঘটনাস্থলে নিহত হন সিএনজিচালক এবং হোটেল বয়ও। মুমূর্ষু অবস্থায় বেঁচে রয়েছে কেবল আট বছরের শিশু রিফাত। তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিহতরা হলেন- হোটেল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন (৪৫), তার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪০), মা সকিনা বেগম (৭০), ছেলে শিপন (১৭) ও হৃদয় (১৫), মেয়ে নিপু আক্তার (১৩), সিএনজিচালক জামাল হোসেন (৩৫), হোটেল বয় সাইমুন হোসেন (১৫)। এর মধ্যে জামাল একই উপজেলার করপতি বেপারি বাড়ির মৃত জিতু মিয়ার ছেলে এবং সাইমুন একই গ্রামের মাতুম্মির ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম তালুদার।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী মরদেহ ও গাড়িগুলো উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুুরুল ইসলাম, কুমিল্লা দক্ষিণের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে এসপি) আবদুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঘাতক বাস কেড়ে নিল জসিমের পরিবারের সবাইকে

প্রকাশিত : ১২:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯

কুমিল্লা নগরীর গোয়ালপট্টি এলাকায় বন্ধন নামে একটি খাবার হোটেলের ব্যবসা করতেন নাঙ্গলকোটের ঘোড়া ময়দান গ্রামের জসিম উদ্দিন (৪৫)। তিনি পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী ছিলেন। গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন শেষে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কুমিল্লায় ফিরছিলেন। ১৮ আগস্ট গতকাল রবিবার দুপুর ১২টায় কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কের লালমাই উপজেলার বাগমারা জামতলী এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সঙ্গে ছিলেন তার মা, স্ত্রী, চার সন্তান ও এক হোটেল বয়। কিন্তু চোখের পলকে তিসা পরিবহনের যাত্রীবাহী দ্রুতগতির একটি বাসের চাপায় শেষ পুরো পরিবারটি। বিপরীতমুখী বাসের চাপায় তাদের বহন করা অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পরিবারের তিনজন মারা যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় জসিমের তিন সন্তানের। ঘটনাস্থলে নিহত হন সিএনজিচালক এবং হোটেল বয়ও। মুমূর্ষু অবস্থায় বেঁচে রয়েছে কেবল আট বছরের শিশু রিফাত। তাকে উন্নত চিকিৎসা দিতে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিহতরা হলেন- হোটেল ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন (৪৫), তার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪০), মা সকিনা বেগম (৭০), ছেলে শিপন (১৭) ও হৃদয় (১৫), মেয়ে নিপু আক্তার (১৩), সিএনজিচালক জামাল হোসেন (৩৫), হোটেল বয় সাইমুন হোসেন (১৫)। এর মধ্যে জামাল একই উপজেলার করপতি বেপারি বাড়ির মৃত জিতু মিয়ার ছেলে এবং সাইমুন একই গ্রামের মাতুম্মির ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম তালুদার।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী মরদেহ ও গাড়িগুলো উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুুরুল ইসলাম, কুমিল্লা দক্ষিণের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে এসপি) আবদুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ