০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

কাশিমপুরে ছাদ থেকে লাফিয়ে কারারক্ষীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর প্রধান কারারক্ষীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ওই কারাগারের বাইরে আবাসিক ভবনের পাঁচতলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহতের নাম ফাতেমা বেগম। তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর প্রধান কারারক্ষী মিজানুর রহমানের স্ত্রী। মিজানুর রহমান ও ফাতেমা দম্পতির দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।

কারারক্ষী মিজানুর রহমান জানান, সকালে সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে চিৎকার শুনে জেগে উঠে ভবনের নিচে এসে ফাতেমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে তাকে দ্রুত গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, ফাতেমা ৭/৮ বছর যাবৎ মানসিক রোগে ভুগছিলেন। নিয়মিত চিকিৎসার পাশাপাশি তাকে হাসপাতালে রেখে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা করানো হয়েছিল।

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষণ দাস জানান, ফাতেমা বেগমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই মাস পর তেহরান থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট ফের চালু

কাশিমপুরে ছাদ থেকে লাফিয়ে কারারক্ষীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ০৪:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯

জেলার কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর প্রধান কারারক্ষীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪০) ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ওই কারাগারের বাইরে আবাসিক ভবনের পাঁচতলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহতের নাম ফাতেমা বেগম। তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এর প্রধান কারারক্ষী মিজানুর রহমানের স্ত্রী। মিজানুর রহমান ও ফাতেমা দম্পতির দুটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।

কারারক্ষী মিজানুর রহমান জানান, সকালে সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে চিৎকার শুনে জেগে উঠে ভবনের নিচে এসে ফাতেমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে তাকে দ্রুত গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, ফাতেমা ৭/৮ বছর যাবৎ মানসিক রোগে ভুগছিলেন। নিয়মিত চিকিৎসার পাশাপাশি তাকে হাসপাতালে রেখে প্রায় দুই মাস চিকিৎসা করানো হয়েছিল।

গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক প্রণয় ভূষণ দাস জানান, ফাতেমা বেগমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম