০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ইবির ভর্তি পরীক্ষা : হাইকোর্টের রায় আপিলেও বহাল

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সিন্ডিকেটের দেয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিয়ার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়। এর ফলে ওই পরীক্ষার মাধ্যমে দুটি বিভাগে ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের জানান, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ইউনিটের (গণিত ও পরিসংখ্যান) দুটি বিভাগে পরীক্ষা হয়। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৬ জানুয়ারি ১০০ শিক্ষার্থী বিভাগ দুটিতে ভর্তি হন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠলে চলতি বছর ৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকে ওই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৩ মার্চ হাইকোর্ট সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করে একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ। এর মধ্যে ১৬ মার্চ এফ ইউনিটের পরীক্ষা নতুন করে নেয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে রুলের শুনানি শেষে গত ১৭ এপ্রিল হাইকোর্ট এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সিন্ডিকেটের দেয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপিল করেছিল।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইবির ভর্তি পরীক্ষা : হাইকোর্টের রায় আপিলেও বহাল

প্রকাশিত : ০৩:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সিন্ডিকেটের দেয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আব্দুল ওয়াহহাব মিয়ার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়। এর ফলে ওই পরীক্ষার মাধ্যমে দুটি বিভাগে ভর্তি হওয়া ১০০ শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের জানান, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ইউনিটের (গণিত ও পরিসংখ্যান) দুটি বিভাগে পরীক্ষা হয়। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৬ জানুয়ারি ১০০ শিক্ষার্থী বিভাগ দুটিতে ভর্তি হন। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠলে চলতি বছর ৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠকে ওই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৩ মার্চ হাইকোর্ট সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল জারি করে একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ। এর মধ্যে ১৬ মার্চ এফ ইউনিটের পরীক্ষা নতুন করে নেয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে রুলের শুনানি শেষে গত ১৭ এপ্রিল হাইকোর্ট এফ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সিন্ডিকেটের দেয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপিল করেছিল।