০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুই জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

কক্সবাজার ও ময়মনসিংহে বিজিবি ও গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ২১ আগস্ট (বুধবার) দিবাগত রাতে রিহকতর ঘটনা ঘটে। নিহত রোহিঙ্গারা ইয়াবা পাচারের সময় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। আর অপর ব্যক্তি অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অর্ধ লাখ পিস ইয়াবা, দেশীয় বন্দুক, কিরিচ ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, উখিয়ার কুতুপালং ৭নং ক্যাম্পের ব্লক-ই-৩ এর ২৪নং রোমের বাসিন্দা মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. সাকের (২২) এবং নয়াপাড়া মোচনী ক্যাম্পের ব্লক সি-৪ এর ২নং রোমের বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুর আলম (৩০)। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম এখলাছ উদ্দিন (৩৫)। পুলিশের দাবি এখলাস অটোচালক সুজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে
এখলাস গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার চাকুয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে।

২১ আগস্ট (বুধবার) রাতে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে কাটাখালীর নাফনদী পয়েন্টে অবস্থান নেয় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপি ক্যাম্পের একটি টহল দল। কিছুক্ষণ পর কাঠের নৌকা নিয়ে কয়েকজন লোক এসে সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালালে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় মাদক বহনকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে বিজিবির সিপাহী মতিউর রহমান (২৪) ও উজ্জ্বল হোসেন (২৬) আহত হন। পরে বিজিবি আত্মরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করে।

উল্লখ্যে, গত ২৭ জুলাই রাতে সুজন নামের এক অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাই করে এখলাছসহ বেশ কয়েকজন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৩

প্রকাশিত : ১০:৪০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

কক্সবাজার ও ময়মনসিংহে বিজিবি ও গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ২১ আগস্ট (বুধবার) দিবাগত রাতে রিহকতর ঘটনা ঘটে। নিহত রোহিঙ্গারা ইয়াবা পাচারের সময় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। আর অপর ব্যক্তি অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।এতে বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অর্ধ লাখ পিস ইয়াবা, দেশীয় বন্দুক, কিরিচ ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, উখিয়ার কুতুপালং ৭নং ক্যাম্পের ব্লক-ই-৩ এর ২৪নং রোমের বাসিন্দা মৃত সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. সাকের (২২) এবং নয়াপাড়া মোচনী ক্যাম্পের ব্লক সি-৪ এর ২নং রোমের বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুর আলম (৩০)। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম এখলাছ উদ্দিন (৩৫)। পুলিশের দাবি এখলাস অটোচালক সুজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে
এখলাস গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার চাকুয়া গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে।

২১ আগস্ট (বুধবার) রাতে মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে কাটাখালীর নাফনদী পয়েন্টে অবস্থান নেয় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের হোয়াইক্যং বিওপি ক্যাম্পের একটি টহল দল। কিছুক্ষণ পর কাঠের নৌকা নিয়ে কয়েকজন লোক এসে সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালালে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় মাদক বহনকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে বিজিবির সিপাহী মতিউর রহমান (২৪) ও উজ্জ্বল হোসেন (২৬) আহত হন। পরে বিজিবি আত্মরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করে।

উল্লখ্যে, গত ২৭ জুলাই রাতে সুজন নামের এক অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাই করে এখলাছসহ বেশ কয়েকজন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ