০৪:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর সেতু সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি ৬তলা ভবনের আংশিক, জয়া অ্যাপেয়ারেলস, স্ক্যান সিমেন্ট, ডেল্টা ডকইয়ার্ড, সোনালি পেপার মিলস, রহমান কেমিক্যালসের আংশিক অংশসহ অর্ধশত কাঁচা-পাকা স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার  সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এছাড়া নদী ভরাট করায় অ্যাসকোয়ার গার্মেন্টসকে নগদ ৫০ হাজার ও জয়া অ্যাপেয়ারেলসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের তত্ত্বাবধানে অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজসহ অন্য কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল বলেন, অনেকেই গুলশান-বনানীতে থাকেন অথচ নদীর তীরে জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করে নাম দেন ‘নদীবিলাশ’। শীতলক্ষ্যা-মেঘনা-ধলেশ্বরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি শীত মৌসুমের পূর্বে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে নদীর তীর রক্ষায় সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বনায়নের মাধ্যমে নদীর তীরে বসন্তের আবহাওয়া ফিরিয়ে আনা হবে। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যদি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ’ জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে এসপি মাসুদ আলমের বক্তব্য

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যার তীরে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশিত : ০৪:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর সেতু সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা একটি ৬তলা ভবনের আংশিক, জয়া অ্যাপেয়ারেলস, স্ক্যান সিমেন্ট, ডেল্টা ডকইয়ার্ড, সোনালি পেপার মিলস, রহমান কেমিক্যালসের আংশিক অংশসহ অর্ধশত কাঁচা-পাকা স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার  সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এছাড়া নদী ভরাট করায় অ্যাসকোয়ার গার্মেন্টসকে নগদ ৫০ হাজার ও জয়া অ্যাপেয়ারেলসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামালের তত্ত্বাবধানে অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজসহ অন্য কর্মকর্তারা।

বিআইডব্লিউটিএর নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল বলেন, অনেকেই গুলশান-বনানীতে থাকেন অথচ নদীর তীরে জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ করে নাম দেন ‘নদীবিলাশ’। শীতলক্ষ্যা-মেঘনা-ধলেশ্বরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি শীত মৌসুমের পূর্বে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরে নদীর তীর রক্ষায় সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বনায়নের মাধ্যমে নদীর তীরে বসন্তের আবহাওয়া ফিরিয়ে আনা হবে। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম