০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোনায় কৃষক হত্যায় ১জনের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার কৃষক আবুল মনসুরকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে রুবেল মিয়া নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আসামিকে আরো ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম রাশেদুজ্জামান রাজা আসামির অনুপস্থিতিতে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রুবেল উপজেলার মোগলহাট্টা গ্রামের মো. হেলিমের ছেলে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মুহাম্মদ সাইফুল আলম প্রদীপ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন দিলোয়ারা বেগম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল আলম প্রদীপ জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর দুপুরে মোগলহাট্টা গ্রামের গণেশের বিলে কৃষক মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা করেন রুবেল। এ ঘটনার দুই দিনপর মনসুরের বাবা মো. সিদ্দিক মিয়া আটপাড়া থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২১ মে আদালতে রুবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে পলাতক আসামি রুবেলের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী দিলোয়ারা বেগম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

নেত্রকোনায় কৃষক হত্যায় ১জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত : ০৫:২০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার কৃষক আবুল মনসুরকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে রুবেল মিয়া নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আসামিকে আরো ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম রাশেদুজ্জামান রাজা আসামির অনুপস্থিতিতে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রুবেল উপজেলার মোগলহাট্টা গ্রামের মো. হেলিমের ছেলে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মুহাম্মদ সাইফুল আলম প্রদীপ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন দিলোয়ারা বেগম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল আলম প্রদীপ জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর দুপুরে মোগলহাট্টা গ্রামের গণেশের বিলে কৃষক মনসুরকে কুপিয়ে হত্যা করেন রুবেল। এ ঘটনার দুই দিনপর মনসুরের বাবা মো. সিদ্দিক মিয়া আটপাড়া থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ২১ মে আদালতে রুবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে পলাতক আসামি রুবেলের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী দিলোয়ারা বেগম।